রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার,
এসিল্যান্ড ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. শামসুল ইসলাম মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত উপস্থাপন করে যাচ্ছেন!
- আপডেট সময় : ০২:৩৯:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ৪৭৮ বার পড়া হয়েছে

(ছবি : ক্রাইম নিউজ প্রতিক্ষণ)
ক্রাইম নিউজ প্রতিক্ষণ ডেস্ক:
বাংলাদেশে জমি – জমাকে কেন্দ্র করে প্রায় ৬০% ফৌজদারি মামলার উদ্ভব হয়ে থাকে বলে এক গবেষণায় দেখা যায়। হেড টু টেল পর্যন্ত দীর্ঘসূত্রিতা বা যুগোপযুগী আইনের পরিবর্তে সেই বৃটিশ উপনিবেশিক আমলের আইনের সংস্কার না হওয়া। অপরদিকে ভূমির দায়িত্বে থাকা সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট যদি সৎ,আন্তরিক ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে তাহলে সাধারণ জনগণকে ভূমি সংক্রান্ত বিষয়ে এত দুর্ভোগ বা হয়রানির শিকার হতে হতো না। যার ব্যতিক্রমী উদাহরণ গোদাগাড়ী এসি ল্যান্ড জনাব মো,শামসুল ইসলাম।
ক্রাইম নিউজ প্রতিক্ষণ প্রতি মাসে একটি হলেও অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করে থাকে। এবার এসিল্যান্ড গোদাগাড়ীর অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করা হল।
রাজশাহীর পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত গোদাগাড়ী উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট একজন মানবিক অফিসার হিসেবে উক্ত উপজেলায় ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছেন জানতে পেরে ক্রাইম নিউজ প্রতিক্ষণ এর একদল অনুসন্ধানী সাংবাদিক তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে প্রথমে উক্ত অফিসের সম্মুখে একজন চা বিক্রেতাকে প্রশ্ন করেন ” আপনাদের এসি ল্যান্ড কেমন মানুষ” উত্তরে জনৈক্য চা বিক্রেতা বলেন ” আমি আমার জীবদ্দশায় এই রকম সৎ, আন্তরিক ও নিষ্ঠাবান, নির অহংকারহীন মানুষ দেখিনি, স্যারের কন্যা সন্তান জন্ম গ্রহণ করায় স্যার ছুটিতে আছেন ” তখন তাকে বলা হয় আপনাদের স্যারের কাছে মিষ্টি খেতে হবে।প্রত্যুত্তরে উক্ত চা বিক্রেতা যা বললেন তাতে হতবাক হয়ে যান আমাদের টিম । চা বিক্রেতা বলেন ” এসিল্যান্ড স্যারের তরফ থেকে শুধু আপনাদের নয়, সবাইকে আমি মিষ্টি খাওয়াবো” একজন চা বিক্রেতার এই কথা কোন কথার কথা নয়। এরমধ্যে লুকিয়ে আছে নিখাদ ভালোবাসা।
জনগণ একজন সৎ,আন্তরিক ও নিষ্ঠাবান অফিসারের কাছে চায় যে, তাদের বক্তব্য মন দিয়ে শুনুক এবং তাদের সমস্যা দ্রুত সমাধান করুক।যা করে যাচ্ছেন রাজশাহী জেলার গোদাগাড়ী উপজেলার সহকারী কমিশনার ( ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জনাব মো, শামসুল ইসলাম।
সরেজমিনে বুধবার ও বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) গোদাগাড়ী ভূমি অফিসে ঢুকে পেছনে দাড়িয়ে দেখা যায় যে, তিনি প্রতিটি মানুষের বক্তব্য মন দিয়ে শুনে দ্রুত প্রতিকারের ব্যবস্থা করছেন। শুধু তাই নয় বৃদ্ধ মানুষ বা যাদের বাড়ি দূরে তাদেরকে আগেই ডেকে নিয়ে তার কাজ করে দিচ্ছেন এবং কাছের জনগণকে পরে শুনছেন তাও তাদের অনুমতি নিয়ে।
উক্ত অফিসে সেবা নিতে আসা জাহাঙ্গীর আলম ও জহুরুল ইসলাম নামের ব্যক্তিদ্বয় জানান ইতিপূর্বে যিনি এসি ল্যান্ড ছিলেন তিনি নাকি সেবা গ্রহণকারী জনগণকে চরম হয়রানি বা উল্টা পাল্টা কাজ করতেন। জনগণতো দূরের কথা অফিসের স্টাফদের সাথেও দুর্ব্যবহার করতেন।
তারা আরও জানান মো, শামসুল ইসলাম গোদাগাড়ী এসিল্যান্ড হিসেবে আসার পর থেকেই অত্র এলাকার লোকজনকে ভূমি নিয়ে দুর্ভোগ ও বিড়ম্বনার শিকার হতে হয় না।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক অফিসার ( বিসিএস ক্যাডার) বলেন, সারাদেশের প্রতিটি উপজেলায় এইরূপ এসি ল্যান্ড থাকলে সারা বাংলাদেশের চিত্র পাল্টে যেত। প্রায় প্রতিটি ভূমি অফিসে এক শ্রেনীর দালালদের আধিপত্য দেখা গেলেও গোদাগাড়ী ভূমি অফিসে কোন দালাল দেখা যায়নি।
সরেজমিনে এইও দেখা যায় যে, বেলা ১১ ঘটিকা থেকে টানা তিন ঘটিকা পর্যন্ত শত শত মানুষের কথা শুনছেন ও প্রতিকার দিচ্ছেন তথাপিও কোন মানুষের সঙ্গে উচ্চ স্বরে কথা বলা বা মেজাজ হারাতে উক্ত এসিল্যান্ডকে কখনোই দেখা যায়নি।যা ক্রাইম নিউজ প্রতিক্ষণ টিমকে অভিভূত করে।
ক্রাইম নিউজ প্রতিক্ষণ পরিবারের পক্ষ থেকে এসিল্যান্ড জনাব মো, শামসুল ইসলাম এর জন্য শুভ কামনা রইল।সৃষ্টিকর্তা তাকে নেক হায়াত দান করুন এই কামনা ।














