মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা,
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল-ইরান যুদ্ধে উভয় পক্ষের ব্যপক হামলা- পাল্টা হামলা!
- আপডেট সময় : ০৯:০৮:৪৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২ মার্চ ২০২৬ ১০১ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিভিন্ন স্থানে লক্ষ্যবস্তুতে বিমান হামলা চালিয়েছে, অন্যদিকে দখলদার ইসরাইল লেবাননে নিজেদের আক্রমণ বাড়িয়েছে। এ পদক্ষেপ এসেছে মার্কিন রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষণা অনুযায়ী। ট্রাম্প তেহরানের শাসক আলেমদের উৎখাত এবং মার্কিন সেনাদের মৃত্যুর প্রতিশোধ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে হত্যার পর এ সংঘাত মূলত শুরু হয় এবং ইরানি বাহিনী মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায়। এ হামলায় ইসরাইল ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে একাধিক মানুষ নিহত হয়।
রোববার মার্কিন সামরিক বাহিনী Islamic Revolutionary Guard Corps-এর সদর দপ্তরে আঘাত হানার ঘোষণা দেয়। ইসরাইলি সেনাবাহিনী বলেছে, তারা তেহরানের লক্ষ্যবস্তুতে বড় আকারের হামলা চালাচ্ছে এবং হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে লেবাননে বোমা হামলা চালাচ্ছে।
হিজবুল্লাহ বলেছে, তারা খামেনির হত্যার প্রতিশোধ নিতে ইসরাইলের দিকে রকেট ও ড্রোন নিক্ষেপ করেছে। ট্রাম্প এবং ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ইরানের সরকারকে উৎখাত করার আহ্বান জানিয়েছেন।
মার্কিন পেন্টাগনের মতে, ‘এপিক ফিউরি’ অভিযানে তিনজন মার্কিন সৈন্য নিহত এবং পাঁচজন গুরুতর আহত হয়েছে। ট্রাম্প বলেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র তাদের মৃত্যুর প্রতিশোধ নেবে এবং ইরানের বিরুদ্ধে সবচেয়ে শক্তিশালী আঘাত হানবে।
ইরানি নেতারা পালটা হামলাকে ন্যায়সঙ্গত বলে দাবি করেছেন। তেলআবিব ও বেইট শেমেশে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় কমপক্ষে ৯ জন নিহত হয়েছে এবং আরও কয়েক ডজন আহত হয়েছে।
ইরানের অভ্যন্তরে, সরকারি তথ্য অনুযায়ী হামলায় ২০১ জন নিহত হয়েছে এবং আরও শত শত মানুষ আহত হয়েছে। মৃতদের মধ্যে রয়েছে খামেনির শীর্ষ উপদেষ্টা আলি শামখানি এবং বিপ্লবী গার্ডসের প্রধান মোহাম্মদ পাকপোর।
মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি এখনো উত্তপ্ত, কবে এই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে তা বলা যাচ্ছে না। এ সংঘাত প্রসঙ্গে আন্তর্জাতিক নেতারা মিশ্র প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছেন।
সূত্র- ডেইলি নিউজ ।














