সরকার কর্তৃক,
খালেদা জিয়াকে রাষ্ট্রের ‘অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি’ ঘোষণা!
- আপডেট সময় : ১২:০১:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ ডিসেম্বর ২০২৫ ১২২ বার পড়া হয়েছে

(বেগম খালেদা জিয়ার ফাইল ছবি)
ঢাকা ব্যুরো:
সোমবার (০১ ডিসেম্বর) একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে বর্তমান ইউনূস সরকার। রাষ্ট্রপতির নির্দেশে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের মহাপরিচালক (প্রশাসন) মোহাম্মদ আব্দুল ওয়াদুদ চৌধুরী এই আদেশে সাক্ষর করেন।
উক্ত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) চেয়ারপারসন ও সাবেক তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে রাষ্ট্রের ‘অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি’ ঘোষণা করা হল।
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী আইন, ২০২১–এর ২(ক) ধারার আওতায় খালেদা জিয়াকে অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ঘোষণা করা হয়েছে। সিদ্ধান্তটি তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হবে।
এই বিষয় নিয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএনপির কেন্দ্র থেকে তৃণমূল পর্যায়ের অনেকেই প্রশ্ন তুলে বলছেন, বেগম খালেদা জিয়া যখন জীবন – মৃত্যুর লড়াই করছেন হাসপাতালের বিছানায়, তখন এরূপ ঘোষণা করার পেছনে কি উদ্দেশ্য বা লক্ষ্য থাকতে পারে? কেননা বর্তমান বাংলাদেশের রাজনৈতিক বাস্তবতা সম্পূর্ণ পাল্টে গেছে। বিএনপি – জামাত মুখোমুখি অবস্থানে। তারা একে অপরের বিরুদ্ধে যেসব শ্লোগান ব্যবহার করছে যা অতীতে কখনও দেখা যায়নি। মাঠে এখন দুটি দল খেলছে বিএনপি বনাম জামাত।
জামাতের রাজনীতি করার অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বিএনপির হাত ধরে,১৯৭১ সালে বাংলাদেশের জন্ম হোক তা জামাত চায়নি। সংগত কারণে জামাতের মৃত্যু ঘটে স্বাধীন বাংলাদেশে। পুনরজনম হয়েছে জিয়াউর রহমানের হাত ধরে। সেই ১৯৭৫ সাল থেকে বিএনপির ছাত্রছায়ায় জামাত রাজনীতি করে থাকলেও বর্তমানে তারা ক্ষমতার লড়াইয়ে অবতীর্ণ। অথচ অতীতে তারা দুইবার ক্ষমতায় ছিল একসাথে।
উল্লেখ্য যে, বার্ধক্যজনিত নানা স্বাস্থ্য জটিলতার কারণে খালেদা জিয়া কয়েকদিন ধরে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এদিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নানা ধরনের কনটেন্ট দেখা যাচ্ছে। কোনটা সত্য কোনটা মিথ্যা বোঝার কোন উপায় নেই। অনেকেই এমনও কথা বলছে যে, খালেদা জিয়া হয়ত আর নেই।তাকে লাইভ সাপোর্টে রাখা হয়েছে। তাই এই প্রজ্ঞাপনের কোন লক্ষ্য উদ্দেশ্য আছে কিনা তা কিছুদিনের মধ্যেই জানা যাবে বলে মনে করছে অনেকই।















