ঢাকা ০৬:৫৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ওসির বিরুদ্ধে অভিযোগের পাহাড়, অবশেষে বদলির আদেশ। রাজশাহীর মোহনপুরের মিষ্টি পান এখন উপজেলা প্রশাসনের সাইনবোর্ডে! উৎসবমুখর পরিবেশে ‘দৈনিক অগ্রযাত্রা প্রতিদিন’-এর প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত। নেতৃত্বের অনন্য উচ্চতায় ৯ নং পারিলা ইউপি চেয়ারম্যান জনাব সাঈদ আলী মোর্শেদ। ইরান মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ২৬ সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে। ধূরইল ইয়াংস্টার ক্লাব বনাম সাদনান একাদশ ফুটবল ম্যাচের শুভ উদ্বোধন ​। গাজীপুরে শ্রমিকদের বিক্ষোভ, পুলিশ বক্সে অগ্নিসংযোগ! পোশাক শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষের পর ২৬ কারখানায় ছুটি ঘোষণা! ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের ফের বড় ধরণের ড্রোন হামলা:ধ্বংসের দাবি সৌদির! এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাশের হার ৫২.১২ শতাংশ

সারাদেশে,

পেট্রোল পাম্প মালিকরা দিনে ১৩ ঘণ্টা পাম্প বন্ধ রাখতে চান!

ঢাকা ব্যুরো:
  • আপডেট সময় : ০৩:২১:৩৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬ ১১১ বার পড়া হয়েছে

0-4064x3074-0-0-{}-0-12#

ঢাকা ব্যুরো:

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) জ্বালানি তেল সরবরাহ ও বাজার পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় বাংলাদেশ পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন জানিয়েছে, রাত ৮টা থেকে সকাল ৭টা পর্যন্ত পাম্প বন্ধ রাখতে চান পাম্প মালিকরা।

সারাদেশব্যাপী জ্বালানি তেলের তীব্র সংকটে জনদুর্ভোগ এখন চরমে। ভোর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত পেট্রোল পাম্পগুলোর সামনে একই চিত্র—দীর্ঘ লাইন, ক্লান্ত অপেক্ষা আর অনিশ্চয়তা। এমন পরিস্থিতিতে ১৩ ঘণ্টা পাম্প বন্ধ রাখতে চায় মালিকরা।

তারা জানায়, ডিপো থেকে চাহিদামত জ্বালানি পাচ্ছে না ফিলিং স্টেশনগুলো। এমন অবস্থায় রাত ৮টা থেকে সকাল ৭টা পর্যন্ত পাম্প বন্ধ রাখতে চান।

সভায় পাম্প মালিকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বর্তমান পরিস্থিতিতে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে সরবরাহ ও পরিবহন ব্যবস্থাপনা। অনেক ক্ষেত্রে ট্যাংকার পুরোপুরি ভর্তি না করে আংশিক লোড নিয়ে পাঠানো হলে পরিবহন খরচ বেড়ে যায় এবং এতে ব্যবসায়িকভাবে ক্ষতির মুখে পড়তে হয়। এ কারণে তারা চেম্বার পূর্ণ করে তেল সরবরাহ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেন, যাতে পরিবহন ব্যয় কমানো যায় এবং সরবরাহ আরও কার্যকর হয়।

এ সময় একই জেলার একাধিক পাম্পে একসঙ্গে সরবরাহের ক্ষেত্রেও সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরা হয়। একই সঙ্গে পাম্প মালিকরা অভিযোগ করেন, কিছু ক্ষেত্রে অননুমোদিতভাবে তেল বিক্রি বা মজুত করার ঘটনা ঘটতে পারে, তবে সেটি পুরো খাতের প্রতিনিধিত্ব করে না।

এদিকে রাশিয়া তেল রপ্তানি আপাতত বন্ধ করায় জনমনে তেল নিয়ে এক ধরনের সংশয় দেখা দিয়েছে। কেউ বলছে ০৭ দিন পর আর পেট্রোল পাওয়া যাবে না। আবার কেউ বলছেন ১৫ দিনের মধ্যে বাংলাদেশে পেট্রোল, অকটেন, ডিজেল ও কেরোসিন শেষ হয়ে যাবে। অথচ সরকার বলছে পর্যাপ্ত তেল মজুদ আছে। কার কথা সঠিক ? এই বলে মত প্রকাশ করেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ক্রেতা সাধারণ।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

সারাদেশে,

পেট্রোল পাম্প মালিকরা দিনে ১৩ ঘণ্টা পাম্প বন্ধ রাখতে চান!

আপডেট সময় : ০৩:২১:৩৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬

ঢাকা ব্যুরো:

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) জ্বালানি তেল সরবরাহ ও বাজার পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় বাংলাদেশ পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন জানিয়েছে, রাত ৮টা থেকে সকাল ৭টা পর্যন্ত পাম্প বন্ধ রাখতে চান পাম্প মালিকরা।

সারাদেশব্যাপী জ্বালানি তেলের তীব্র সংকটে জনদুর্ভোগ এখন চরমে। ভোর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত পেট্রোল পাম্পগুলোর সামনে একই চিত্র—দীর্ঘ লাইন, ক্লান্ত অপেক্ষা আর অনিশ্চয়তা। এমন পরিস্থিতিতে ১৩ ঘণ্টা পাম্প বন্ধ রাখতে চায় মালিকরা।

তারা জানায়, ডিপো থেকে চাহিদামত জ্বালানি পাচ্ছে না ফিলিং স্টেশনগুলো। এমন অবস্থায় রাত ৮টা থেকে সকাল ৭টা পর্যন্ত পাম্প বন্ধ রাখতে চান।

সভায় পাম্প মালিকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বর্তমান পরিস্থিতিতে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে সরবরাহ ও পরিবহন ব্যবস্থাপনা। অনেক ক্ষেত্রে ট্যাংকার পুরোপুরি ভর্তি না করে আংশিক লোড নিয়ে পাঠানো হলে পরিবহন খরচ বেড়ে যায় এবং এতে ব্যবসায়িকভাবে ক্ষতির মুখে পড়তে হয়। এ কারণে তারা চেম্বার পূর্ণ করে তেল সরবরাহ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেন, যাতে পরিবহন ব্যয় কমানো যায় এবং সরবরাহ আরও কার্যকর হয়।

এ সময় একই জেলার একাধিক পাম্পে একসঙ্গে সরবরাহের ক্ষেত্রেও সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরা হয়। একই সঙ্গে পাম্প মালিকরা অভিযোগ করেন, কিছু ক্ষেত্রে অননুমোদিতভাবে তেল বিক্রি বা মজুত করার ঘটনা ঘটতে পারে, তবে সেটি পুরো খাতের প্রতিনিধিত্ব করে না।

এদিকে রাশিয়া তেল রপ্তানি আপাতত বন্ধ করায় জনমনে তেল নিয়ে এক ধরনের সংশয় দেখা দিয়েছে। কেউ বলছে ০৭ দিন পর আর পেট্রোল পাওয়া যাবে না। আবার কেউ বলছেন ১৫ দিনের মধ্যে বাংলাদেশে পেট্রোল, অকটেন, ডিজেল ও কেরোসিন শেষ হয়ে যাবে। অথচ সরকার বলছে পর্যাপ্ত তেল মজুদ আছে। কার কথা সঠিক ? এই বলে মত প্রকাশ করেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ক্রেতা সাধারণ।