ঢাকা ০৩:৪১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ওসির বিরুদ্ধে অভিযোগের পাহাড়, অবশেষে বদলির আদেশ। রাজশাহীর মোহনপুরের মিষ্টি পান এখন উপজেলা প্রশাসনের সাইনবোর্ডে! উৎসবমুখর পরিবেশে ‘দৈনিক অগ্রযাত্রা প্রতিদিন’-এর প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত। নেতৃত্বের অনন্য উচ্চতায় ৯ নং পারিলা ইউপি চেয়ারম্যান জনাব সাঈদ আলী মোর্শেদ। ইরান মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ২৬ সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে। ধূরইল ইয়াংস্টার ক্লাব বনাম সাদনান একাদশ ফুটবল ম্যাচের শুভ উদ্বোধন ​। গাজীপুরে শ্রমিকদের বিক্ষোভ, পুলিশ বক্সে অগ্নিসংযোগ! পোশাক শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষের পর ২৬ কারখানায় ছুটি ঘোষণা! ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের ফের বড় ধরণের ড্রোন হামলা:ধ্বংসের দাবি সৌদির! এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাশের হার ৫২.১২ শতাংশ

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দর পতন!

ক্রাইম নিউজ প্রতিক্ষণ ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ০২:১৩:২১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬ ২৩৮ বার পড়া হয়েছে

(ফাইল ছবি)

ক্রাইম নিউজ প্রতিক্ষণ ডেস্ক:

জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি এবং এর ফলে বিশ্বজুড়ে মুদ্রাস্ফীতির নতুন শঙ্কার জেরে আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দামে বড় ধরনের ধস নেমেছে। আজ শুক্রবার (১৫ মে) লেনদেনের শুরুতে মূল্যবান এই ধাতুর দাম এক সপ্তাহের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে পৌঁছেছে। সেই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ সুদের হার কমানোর প্রক্রিয়া দীর্ঘায়িত করতে পারে—এমন আশঙ্কা বিনিয়োগকারীদের স্বর্ণ বিক্রিতে বাধ্য করছে।

অনলাইন সংবাদপত্র সাবস্ক্রিপশন
বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, আজ গ্রিনিচ মান সময় ০২:০৫ টা নাগাদ আন্তর্জাতিক বাজারে স্পট গোল্ডের দাম ০.৮ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪,৬১৩.১৯ ডলারে দাঁড়িয়েছে। গত ৬ মে’র পর এটিই স্বর্ণের সর্বনিম্ন দাম। চলতি সপ্তাহেই ধাতুটির দাম সামগ্রিকভাবে ২.১ শতাংশ কমেছে। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের জুন মাসের স্বর্ণ সরবরাহের ফিউচার দর ১.৪ শতাংশ কমে আউন্স প্রতি ৪,৬১৯ ডলারে নেমেছে।

এদিকে, চলতি সপ্তাহে মার্কিন ডলারের মান ১ শতাংশের বেশি বেড়েছে। ডলারের দাম বাড়লে অন্যান্য মুদ্রার বিপরীতে স্বর্ণ কেনা ব্যয়বহুল হয়ে পড়ে, যার ফলে বিশ্ববাজারে এর চাহিদা কমে যায়।

ইরান যুদ্ধের প্রভাবে হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকায় ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দাম এ সপ্তাহে ৫.৫ শতাংশ বেড়েছে। বর্তমানে প্রতি ব্যারেল তেল ১০৬ ডলারের উপরে লেনদেন হচ্ছে। তেলের এই উচ্চমূল্য বিশ্ব অর্থনীতিতে মুদ্রাস্ফীতির চাপ বাড়াচ্ছে।

মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংক সুদের হার উচ্চ রাখতে পারে। সাধারণত সুদের হার বেশি থাকলে বিনিয়োগকারীরা স্বর্ণের বদলে বন্ড বা অন্য খাতে বিনিয়োগ করতে বেশি আগ্রহী হন।

কেসিএম ট্রেডের প্রধান বাজার বিশ্লেষক টিম ওয়াটারার পরিস্থিতির ব্যাখ্যা দিয়ে বলেন, তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় মুদ্রাস্ফীতির শঙ্কা আবার ফিরে এসেছে। এতে ডলার ও বন্ডের ইল্ড (মুনাফা) দুই-ই বাড়ছে, যার নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে স্বর্ণের ওপর।

স্বর্ণের পাশাপাশি পতন হয়েছে অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর দামেও। আজ রুপার দাম ৩.১ শতাংশ কমে আউন্স প্রতি ৮০.৯৩ ডলারে নেমেছে। এছাড়া প্ল্যাটিনামের দাম ১.৭ শতাংশ এবং প্যালাডিয়ামের দাম ০.৯ শতাংশ কমেছে।

বাজার সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের অবসান না হওয়া এবং তেলের বাজার স্থিতিশীল না হওয়া পর্যন্ত স্বর্ণের দামে এমন অস্থিরতা বজায় থাকতে পারে।

সূত্র: রয়টার্স

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দর পতন!

আপডেট সময় : ০২:১৩:২১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬

(ফাইল ছবি)

ক্রাইম নিউজ প্রতিক্ষণ ডেস্ক:

জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি এবং এর ফলে বিশ্বজুড়ে মুদ্রাস্ফীতির নতুন শঙ্কার জেরে আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দামে বড় ধরনের ধস নেমেছে। আজ শুক্রবার (১৫ মে) লেনদেনের শুরুতে মূল্যবান এই ধাতুর দাম এক সপ্তাহের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে পৌঁছেছে। সেই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ সুদের হার কমানোর প্রক্রিয়া দীর্ঘায়িত করতে পারে—এমন আশঙ্কা বিনিয়োগকারীদের স্বর্ণ বিক্রিতে বাধ্য করছে।

অনলাইন সংবাদপত্র সাবস্ক্রিপশন
বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, আজ গ্রিনিচ মান সময় ০২:০৫ টা নাগাদ আন্তর্জাতিক বাজারে স্পট গোল্ডের দাম ০.৮ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪,৬১৩.১৯ ডলারে দাঁড়িয়েছে। গত ৬ মে’র পর এটিই স্বর্ণের সর্বনিম্ন দাম। চলতি সপ্তাহেই ধাতুটির দাম সামগ্রিকভাবে ২.১ শতাংশ কমেছে। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের জুন মাসের স্বর্ণ সরবরাহের ফিউচার দর ১.৪ শতাংশ কমে আউন্স প্রতি ৪,৬১৯ ডলারে নেমেছে।

এদিকে, চলতি সপ্তাহে মার্কিন ডলারের মান ১ শতাংশের বেশি বেড়েছে। ডলারের দাম বাড়লে অন্যান্য মুদ্রার বিপরীতে স্বর্ণ কেনা ব্যয়বহুল হয়ে পড়ে, যার ফলে বিশ্ববাজারে এর চাহিদা কমে যায়।

ইরান যুদ্ধের প্রভাবে হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকায় ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দাম এ সপ্তাহে ৫.৫ শতাংশ বেড়েছে। বর্তমানে প্রতি ব্যারেল তেল ১০৬ ডলারের উপরে লেনদেন হচ্ছে। তেলের এই উচ্চমূল্য বিশ্ব অর্থনীতিতে মুদ্রাস্ফীতির চাপ বাড়াচ্ছে।

মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংক সুদের হার উচ্চ রাখতে পারে। সাধারণত সুদের হার বেশি থাকলে বিনিয়োগকারীরা স্বর্ণের বদলে বন্ড বা অন্য খাতে বিনিয়োগ করতে বেশি আগ্রহী হন।

কেসিএম ট্রেডের প্রধান বাজার বিশ্লেষক টিম ওয়াটারার পরিস্থিতির ব্যাখ্যা দিয়ে বলেন, তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় মুদ্রাস্ফীতির শঙ্কা আবার ফিরে এসেছে। এতে ডলার ও বন্ডের ইল্ড (মুনাফা) দুই-ই বাড়ছে, যার নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে স্বর্ণের ওপর।

স্বর্ণের পাশাপাশি পতন হয়েছে অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর দামেও। আজ রুপার দাম ৩.১ শতাংশ কমে আউন্স প্রতি ৮০.৯৩ ডলারে নেমেছে। এছাড়া প্ল্যাটিনামের দাম ১.৭ শতাংশ এবং প্যালাডিয়ামের দাম ০.৯ শতাংশ কমেছে।

বাজার সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের অবসান না হওয়া এবং তেলের বাজার স্থিতিশীল না হওয়া পর্যন্ত স্বর্ণের দামে এমন অস্থিরতা বজায় থাকতে পারে।

সূত্র: রয়টার্স