রাজধানীর,
০৬ নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে’র বিরূদ্ধে মামলা।
- আপডেট সময় : ১১:৫৯:০৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৭ মে ২০২৬ ১৬২ বার পড়া হয়েছে

ক্রাইম নিউজ প্রতিক্ষণ ডেস্ক:
রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে একসঙ্গে ৬ নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় মামলা হয়েছে। নিহত এক শিশুর স্বজন হাবিবুর রহমান বাদি হয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে মামলা করেন বলে জানা গেছে।
এদিকে ময়নাতদন্ত না করেই ঐ ০৬ জন শিশুর মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। পরিবারের লিখিত আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এবং তাদের বুঝিয়ে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
ডিএমপির রমনা বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার (ডিসি) শেখ জাহিদুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন সকল সংবাদ মাধ্যমকে।
তিনি বলেন, ছয় নবজাতকের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। পরিবারের সদস্যরা শিশুদের ময়নাতদন্ত করাতে অনাগ্রহ প্রকাশ করেন এবং লিখিত আবেদন দেন। সেই আবেদন বিবেচনায় নিয়েই মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে।
ময়নাতদন্ত ছাড়া মৃত্যুর প্রকৃত কারণ কীভাবে নির্ধারণ করা হবে—এমন প্রশ্নের জবাবে ডিসি জাহিদুল ইসলাম বলেন, এখানে পারিবারিক আবেগের বিষয় জড়িত। ময়নাতদন্ত হলে তদন্তের জন্য ভালো হতো। তবে পরিবারের লিখিত আবেদনের কারণে তা করা হয়নি।
ইতোমধ্যে সিআইডির ক্রাইম সিন ইউনিট ও ডিএমপির বম্ব ডিসপোজাল ইউনিট ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন নমুনা সংগ্রহ করেছে। ফরেনসিক পরীক্ষার মাধ্যমে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানার চেষ্টা করা হবে বলে উল্লেখ করেন ডিসি।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাউকে আটক করা হয়েছে কি না—জানতে চাইলে ডিসি বলেন, এখন পর্যন্ত কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে, তবে কাউকে আটক করা হয়নি। মামলা দায়ের সম্পন্ন হলে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
উল্লেখ্য যে, এর আগে মঙ্গলবার রাতে অথবা বুধবার ভোরে আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পোস্ট ডেলিভারি ওয়ার্ডে একসঙ্গে ছয় নবজাতকের মৃত্যু হয়। স্বজনদের অভিযোগ, ওয়ার্ডে অব্যবস্থাপনা ও শীতাতপ নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা (এসি) বন্ধ থাকার কারণেই এ ঘটনা ঘটেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্বজন জানান বাংলাদেশের ডাক্তার সিন্ডিকেট এতই পাওয়ারফুল যে, এদের টিকিও ছোঁয়া যায় না।
ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে বুধবার (২৭ মে) দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস জানান, আরও পাঁচ নবজাতক হাসপাতালের এনআইসিইউতে চিকিৎসাধীন। তবে তাদের বর্তমান শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানাননি তিনি।














