মুসলিম ফুটবলারদের জন্য ফিফা সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করলেন!
- আপডেট সময় : ০৭:০৫:২২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬ ২২২ বার পড়া হয়েছে

স্পোর্টস ডেস্ক:
যে কারণে এবারের বিশ্বকাপে মুসলিম ফুটবলারদের জন্য বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রণ সংস্থা (ফিফা)। এই পরিবর্তন আসলে আনা হয়েছে ম্যান অফ দ্য ম্যাচ পুরস্কার দেওয়ার সময়।
আগের দুটি বিশ্বকাপে প্লেয়ার অফ দ্য ম্যাচ পুরস্কার দেওয়ার ক্ষেত্রে সরাসরি যুক্ত ছিল একটি মদ প্রস্তুতকারী সংস্থা। ২০১৮ বিশ্বকাপে উরুগুয়ের বিরুদ্ধে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পর মিশরের গোলকিপার মোহাম্মদ আল শেনাওই এই কারণে পুরস্কার নিতে অস্বীকার করেছিলেন।
এবারের বিশ্বকাপে অনলাইনে ভোট দিয়ে সমর্থকরাই প্লেয়ার অফ দ্য ম্যাচ নির্বাচন করছেন। এই পুরস্কার দেওয়াতে ফিফাকে সহায়তা করছে মাইকেল আলট্রা নামে একটি ব্র্যান্ড।
সাধারণত, ম্যাচ সেরার পুরস্কার নেওয়ার সময় পুরস্কারজয়ী ফুটবলার ট্রফি হাতে স্পন্সরের নামের ব্যাকড্রপের সামনে দাঁড়িয়ে ছবি তোলেন। তাদের ট্রফিতেও থাকে স্পন্সরের নাম। পরে সেই ছবি ফিফা নিজেদের সমাজমাধ্যমে আপলোড করে।
এবার একটি ছোট্ট পরিবর্তন আনা হয়েছে- এই পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠান নিয়ে। এর পেছনে রয়েছে একটি ধর্মীয় কারণ। এ জন্যই ফিফা মূলত মুসলিম প্লেয়ারদের জন্য এই পরিবর্তন করেছে। যেহেতু এই ব্র্যান্ড একটি মাদক ব্র্যান্ড এবং ইসলাম ধর্মে মদ্যপান নিষিদ্ধ, তাই এই পরিবর্তন ফিফার।
মুসলিম প্রধান দেশে মদপান নিয়ে কড়া আইন রয়েছে। তাই কোনও মুসলিম ফুটবলার যদি ম্যাচের সেরা হন, তার পুরস্কারের ব্যাকড্রপ থেকে ওই কোম্পানির নাম সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে।
ইতিমধ্যেই এই নিয়ম প্রয়োগ হয়েছে কানাডার ইসমাইল কোনে, কাতারের মাহমুদ আবুনাদা, ইসমাইল সাইবাড়িদের উপর। মুসলিম ফুটবলরদের পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে কোম্পানির নাম দেখানোর পরিবর্তে ব্যাকড্রপে শুধু লেখা Superior player of the match ও তার সঙ্গে ফিফা বিশ্বকাপের লোগো রাখা হচ্ছে। ট্রফির নকশা একই থাকছে। সরে যাচ্ছে মদ কোম্পানির নাম।
২০২২ সালে কিলিয়ান এমবাপ্পে ম্যাচের সেরা হওয়ার পর এই পুরস্কারে মদ প্রস্তুতকারক সংস্থার লোগোতে হাত দিয়ে ঢেকে রেখেছিলেন। কারণ, তিনি কোনও মদ বা জুয়া সংস্থার হয়ে কোনও বিজ্ঞাপন প্রচার করবেন না। এমনকি ঘরোয়া ফুটবলেও এখন অনেক নিয়ম বদল হয়েছে।
এখন ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের পাশাপাশি অনেক ক্ষেত্রেই শ্যাম্পেনের বদলে নন অ্যালকোহলিক শ্যাম্পেন ব্যবহার করা হয়। তবে ফিফার এই নিয়ম ইতিমধ্যেই প্রশংসা পাচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।















