লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে ঢুকে
স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে পেটালেন ছাত্রদল নেতা, ভিডিও ভাইরাল!
- আপডেট সময় : ০৪:৫০:২১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬ ৯৬ বার পড়া হয়েছে

(ছবি সংগৃহীত)
লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি:
ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মধ্যে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা জুয়েল হোসেন নিরবকে চেয়ার দিয়ে পেটানোসহ কিল-ঘুষি ও লাথি দিয়ে রক্তাক্ত করা হয়। ছাত্রদল নেতা শাহেদ ও তার অনুসারীরা ঘটনাটি ঘটিয়েছে বলে জানা গেছে। আহত জুয়েলকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে । এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে।
এদিকে হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কক্ষে হামলা-মারামারির ঘটনায় আতঙ্ক বিরাজ করছে চিকিৎসক ও কর্মচারীদের মধ্যে। রোববার (২৫ অক্টোবর) রাতে ঘটনাটি ঘটেছে।
আহত জুয়েল লক্ষ্মীপুর পৌরসভার ১নং ওয়ার্ড সেচ্ছাসেবকদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি।
অভিযুক্ত শাহেদ দালাল বাজার ডিগ্রি কলেজের উচ্চ মাধ্যমিক দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র। তিনি কলেজ শাখা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ও লক্ষ্মীপুর পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ড ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী।
জানা যায়, সন্ধ্যায় শাহেদ ও জুয়েলদের মধ্যে মোবাইল কেনবেচা নিয়ে মারামারি হয়। এতে চিকিৎসা নেওয়ার জন্য জুয়েল হাসপাতালে আসেন। এ সময় শাহেদ তার অনুসারীদের নিয়ে এসে হাসপাতালের সামনেই জুয়েলকে মারধর করেন। একপর্যায়ে মারধর থেকে বাঁচতে জুয়েল হাসপাতালের ইমার্জেন্সি কক্ষে ঢুকলে সেখানেও শাহেদ যান। এ সময় ইমার্জেন্সি কক্ষের ভেতরই শাহেদ তাকে চেয়ার দিয়ে পিটুনিসহ এলোপাতাড়ি কিল-ঘুসি ও লাথি মেরে রক্তাক্ত জখম করেন।
এ ব্যাপারে চেষ্টা করেও শাহেদের সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি।
জেলা ছাত্রদলের আহবায়ক আবুল বারাকাত সৌরভ ও সদস্য সচিব হাসিবুর রহমান অভি জানান, শাহেদ দালাল বাজার কলেজ ছাত্রদলের ক্লাশ কমিটির নেতা ছিলেন। এখন কোনো পদ-পদবী নেই। তবে তিনি পৌর ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) অরুপ পাল বলেন, হাসপাতালে হামলার বিষয়টি দুঃখজনক। এ ঘটনায় হামলার চিত্র সিসিটিভি ক্যামেরায় স্পষ্টভাবে ধারণ হয়েছে। বিষয়টি আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পুলিশকে অবিহিত করা হয়েছে। এ ঘটনায় আমরাও আতঙ্কে আছি।
লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানার ওসি ওয়াহিদ পারভেজ ক্রাইম নিউজ প্রতিক্ষণকে বলেন, এ বিষয়ে থানায় কেউ লিখিত অভিযোগ দেননি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।














