ছাত্রদল - শিবির মুখোমুখি অবস্থানে
রাকসু নির্বাচন কমিশনারদের উদ্দেশ্যে ছাত্রদলের স্লোগান : কমিশনের চামড়া, তুলে নেবো আমরা’,
- আপডেট সময় : ১২:১৮:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ১৯১ বার পড়া হয়েছে

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধিঃ
রাকসু নির্বাচন নিয়ে ছাত্রদল ও ছাত্র শিবির ক্রমেই বিবাদে জড়িয়ে পড়ছে, এটা কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে এটাই দেখার বিষয়।
২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের নবীন শিক্ষার্থীদের রাকসু নির্বাচনের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার দাবিতে এবং নারী শিক্ষার্থীদের হেনস্তা ও পরিকল্পিতভাবে মব সৃষ্টি করে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ বিঘ্ন করার অপচেষ্টার অভিযোগ তুলে এর প্রতিবাদে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছে রাবি শাখা ছাত্রদল।
সোমবার ( ০১ সেপ্টেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবন-১ প্রধান ফটকের সামনে এই অবস্থান কর্মসূচি পালন শুরু করে সংগঠনটি। দুপুর আড়াইটায় পর্যন্ত অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে ।
এসময় ‘জামায়াত-শিবিরের চামড়া, তুলে নেবো আমরা’, ‘কমিশনের চামড়া, তুলে নেবো আমরা’, ‘অবৈধ কমিশন, মানিনা মানবো না’, ‘তালিবানি কমিশন, মানি না মানবো না’, ‘এক দুই তিন চার, নকিব তুই গদি ছাড়’, ‘এক দুই তিন চার, ফকির তুই গদি ছাড়’, ‘এক দুই তিন চার, সেতাউর তুই গদি ছাড়’, ‘নকিব তুমি গদি ছাড়ো, ভোটাধিকার প্রদান করো’, ‘ফকির তুমি গদি ছাড়ো, ভোটাধিকার প্রদান করো’,
‘চাঁদাবাজ যেখানে, লড়াই হবে সেখানে’, ‘তালেবান যেখানে, লড়াই হবে সেখানে’, ‘বট বাহিনী যেখানে, লড়াই হবে সেখানে’, ‘রাকসু আমার অধিকার, তুমি কে বাদ দেওয়ার’, ‘রাকসু ফি দিয়েছি, ভোটার হতে চেয়েছি’, ‘প্রথমবর্ষ ভয় নাই, রাজপথ ছাড়ি নাই’, ‘জিয়ার সৈনিক, এক হও লড়াই করো’- সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন তাঁরা।
কর্মসূচিতে রাবি শাখা ছাত্রদলের সভাপতি সুলতান আহমদ রাহী বলেন, গতকাল যে ঘটনা ঘটেছে, তা ছিল সম্পূর্ণ পূর্ব পরিকল্পিত। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নাশকতা ও ছাত্রদলের ওপর হামলা করার জন্য শিবির, বাগছাস ও সমন্বয়ক নামধারী তিনটি সংগঠনকে ৫ লাখ করে ১৫ লক্ষ টাকা প্রদান করেছে। গতকাল আমরা কোনো মনোনয়ন উত্তোলনে বাধা প্রদান করিনি।
আমরা সেখানে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছিলাম। শিক্ষার্থীরাই সেই টেবিল সরিয়ে দেয়। পরবর্তীতে কর্মকর্তারা রুমে ঢুকে যায়। যেন কেউ আক্রমণ করতে না পারে। আর আমরা শুধু কোষাধ্যক্ষের গেটে অবস্থান করছিলাম।
তিনি আরও বলেন, গতকালের ঘটনায় আমাদের দশজন নেতা-কর্মী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন এবং নারী শিক্ষার্থীদের নানাভাবে হেনস্তা করা হয়েছে। আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই, নতুন শিক্ষার্থী, ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের সবাইকে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। কেননা এটি তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার, আর এই অধিকার থেকে কাউকে বঞ্চিত করার ক্ষমতা কারোও নেই।
এসময় শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক সর্দার জহুরুল ইসলাম, সহ-সভাপতি শাকিলুর রহমান সোহাগ, মেহেদী হাসান, সাবিহা আলম মুন্নি, জান্নাতুল নাঈম তুহিনা, যুগ্ন-সাধারণ সম্পাদক এম তাহের রহমান, আবু সাঈদ, আবির হাসান হিমেল, সাংগঠনিক সম্পাদক মাহমুদুল হসান মিঠু-সহ বিভিন্ন পর্যায়ের অর্ধ-শতাধিক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।















