বগুড়ায়
এনসিপি’র সভা চলাকালে একাধিক ককটেল বিস্ফোরণ
- আপডেট সময় : ০৭:২১:৫১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ অক্টোবর ২০২৫ ১২৫ বার পড়া হয়েছে

বগুড়া ব্যুরো:
বগুড়ায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলমের উপস্থিতিতে সমন্বয় সভা চলাকালে অডিটোরিয়ামের নিচতলায় একাধিক ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার(২০ অক্টোবর ) বিকালে শহরের জেলা পরিষদ মিলনায়তন চত্বরে এ ঘটনা ঘটে।
তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় সারজিস আলম এ হামলার জন্য ফ্যাসিস্টদের দায়ী করেন ও সরকারের কাছে ফ্যাসিস্ট ও তাদের দোসরদের আস্ফালন বন্ধের দাবি জানিয়েছেন।
বগুড়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া) আতোয়ার রহমান জানান, এনসিপির অনুষ্ঠানের বাইরে ককটেলসদৃশ বস্তু বিস্ফোরণ হয়েছে। এ ঘটনায় দোষীদের শনাক্ত করে গ্রেফতারে অভিযান চলছে।
বগুড়া জেলা এনসিপির সংগঠক সিরাজুল ইসলাম সিরাজ ও প্রত্যক্ষদর্শী অন্যরা জানান, মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম সোমবার জয়পুরহাটে সমন্বয় সভা শেষে বিকাল ৩টার দিকে বগুড়ায় আসেন। তিনি ফিতা কেটে শহরের আলতাফুন্নেছা খেলার মাঠসংলগ্ন এলাকায় বগুড়া জেলা শাখা কার্যালয়ের উদ্বোধন করেন।
সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে সারজিস আলম বলেন, বিগত সময়ে বিএনপি যখনই সরকার গঠন করেছে জোট সরকার ছিল, জামায়াত কখনই এর পূর্বে শক্তিশালীভাবে সংসদে প্রতিনিধিত্ব করতে পারেনি। আমরা মনে করি এককভাবে কেউ শক্তিশালী নয়, আপাতদৃষ্টিতে যা দেখা যায় আর মাঠের বাস্তবতা পার্থক্য আছে।
এরপর তিনি বগুড়া জেলা পরিষদ মিলনায়তনে সংগঠনের জেলা সমন্বয় সভায় যোগদান করেন। সারজিস আলম সাংগঠনিক বক্তব্য দেয়া শুরুর কিছুক্ষণ পর জেলা পরিষদের পেছনে করতোয়া নদীর পাশ থেকে দুটি ককটেল নিক্ষেপ করা হয়। ককটেল দুটি অডিটোরিয়ামের নিচে জেলা পরিষদ চত্বরে এসে পড়ে। প্রথমটি অবিস্ফোরিত হলেও দ্বিতীয়টি বিকট শব্দে বিস্ফোরিত হয়। খবর পেয়ে সদর থানা পুলিশ ও সিআইডির ক্রাইম সিনের সদস্যরা ঘটনাস্থলে এসে তদন্ত শুরু করেন। তারা অবিস্ফোরিত ককটেলটি উদ্ধার করেন।
এদিকে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় এনসিপির নেতাকর্মীদের মাঝে উত্তেজনা দেখা দেয়। তারা বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেন।
উপস্থিত ছিলেন- এনসিপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সার্বিক মাহদী ও রাজশাহী বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক ইমরান ইমন।
ককটেল হামলার তাৎক্ষণিক প্রতিবাদে এনসিপির মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম বলেন, এ হামলা ফ্যাসিস্ট ও তাদের দোসরদের চক্রান্ত ও ষড়যন্ত্রের অংশ। তারা আগামী জাতীয় নির্বাচনকে অস্থিতিশীল করার চক্রান্ত করছে। তিনি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে ফ্যাসিস্ট ও তাদের দোসরদের আস্ফালন বন্ধের দাবি জানান।
বগুড়া সদর থানার ওসি হাসান বাসির জানান, জেলা পরিষদ চত্বরে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় পুলিশের একাধিক দল তদন্তে কাজ করছে। যারা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত, তাদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে। কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।















