ঢাকা ০৫:২৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ওসির বিরুদ্ধে অভিযোগের পাহাড়, অবশেষে বদলির আদেশ। রাজশাহীর মোহনপুরের মিষ্টি পান এখন উপজেলা প্রশাসনের সাইনবোর্ডে! উৎসবমুখর পরিবেশে ‘দৈনিক অগ্রযাত্রা প্রতিদিন’-এর প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত। নেতৃত্বের অনন্য উচ্চতায় ৯ নং পারিলা ইউপি চেয়ারম্যান জনাব সাঈদ আলী মোর্শেদ। ইরান মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ২৬ সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে। ধূরইল ইয়াংস্টার ক্লাব বনাম সাদনান একাদশ ফুটবল ম্যাচের শুভ উদ্বোধন ​। গাজীপুরে শ্রমিকদের বিক্ষোভ, পুলিশ বক্সে অগ্নিসংযোগ! পোশাক শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষের পর ২৬ কারখানায় ছুটি ঘোষণা! ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের ফের বড় ধরণের ড্রোন হামলা:ধ্বংসের দাবি সৌদির! এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাশের হার ৫২.১২ শতাংশ

ভূমিকম্পে কাঁপল দেশ!

খন্দ: মো, আখতারুজ্জামান
  • আপডেট সময় : ০৬:০১:০০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ১০৫ বার পড়া হয়েছে

খন্দ: মো, আখতারুজ্জামান:

রাজধানী ঢাকাসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে ভয়াবহ মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে।শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১টা ৫৪ মিনিটে এই ভূমিকম্প অনুভূত হয়।

ইউরোপীয়-ভূমধ্যসাগরীয় সিসমোলজিক্যাল সেন্টারের (ইএমএসসি) তথ্য অনুযায়ী, রিখটার স্কেলে এই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ৩।

সংস্থাটি জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল সাতক্ষীরা থেকে ২৯ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে। এর গভীরতা ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে ৩৫ কিলোমিটার।

এদিকে রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের মাত্রা ৫ দশমিক ৪ বলে জানিয়েছেন আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের আবহাওয়াবিদ ফারজানা সুলতানা। এটি মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্প বলে জানিয়েছেন আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রুবাইয়াৎ কবীর।

যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএস বলছে, উৎপত্তিস্থলে ভূমিকম্পের মাত্রা ৫ দশমিক ৩।

তবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব বিভাগের সাবেক অধ্যাপক হুমায়ূন আখতার জানান, পরপর দুই দফা এই ভূমিকম্প অনুভূত হয়। উৎপত্তিস্থল সাতক্ষীরা বলে তিনিও জানিয়েছেন ।

এদিকে বাংলাদেশের পাশাপাশি ভারতের কলকাতায়ও ভূকম্পন অনুভূত হয়েছে। সেখানে মাত্রা ছিল ৫ দশমিত ৩।

আনন্দবাজারের প্রতিবেদন বলছে, শুক্রবার দুপুরে উত্তর থেকে দক্ষিণ কলকাতায় কম্পন অনুভূত হয়েছে। কয়েক সেকেন্ড টানা কেঁপেছে শহরের বিভিন্ন বহুতল। ভয়ে এবং আতঙ্কে বাড়ি, অফিস ছেড়ে অনেকে বাইরে বেরিয়ে যান। কয়েকটি পুরনো বাড়ি হেলে পড়ার খবর পাওয়া গেছে।

পশ্চিমবঙ্গের অন্যান্য জেলাতেও কম্পন অনুভূত হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের টাকি থেকে ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল খুলনার দূরত্ব প্রায় ২৬ কিলোমিটার। কলকাতার পাশাপাশি দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে জোরালো কম্পন অনুভূত হয়েছে। পশ্চিম মেদিনীপুরের মেদিনীপুর শহরেও আতঙ্ক ছড়ায়। এলাকার বাড়ি এবং আবাসন নড়ে যায়। বন্ধ থাকা সিলিং ফ্যান দুলতে থাকে বেশ কিছুক্ষণ। একই ভাবে ঝাড়গ্রাম জেলাতেও ভূমিকম্পের অনুভূতি পেয়েছেন অনেকেই। হাওড়া এবং হুগলিতেও একই পরিস্থিতি।

তাৎক্ষণিকভাবে এই ভূমিকম্পে কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

উল্লেখ্য, ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে গত বুধবার রাতে ভূকম্পন অনুভূত হয়। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ১। ওই ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল মিয়ানমারে। এটি ছিল মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্প।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

ভূমিকম্পে কাঁপল দেশ!

আপডেট সময় : ০৬:০১:০০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

খন্দ: মো, আখতারুজ্জামান:

রাজধানী ঢাকাসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে ভয়াবহ মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে।শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১টা ৫৪ মিনিটে এই ভূমিকম্প অনুভূত হয়।

ইউরোপীয়-ভূমধ্যসাগরীয় সিসমোলজিক্যাল সেন্টারের (ইএমএসসি) তথ্য অনুযায়ী, রিখটার স্কেলে এই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ৩।

সংস্থাটি জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল সাতক্ষীরা থেকে ২৯ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে। এর গভীরতা ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে ৩৫ কিলোমিটার।

এদিকে রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের মাত্রা ৫ দশমিক ৪ বলে জানিয়েছেন আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের আবহাওয়াবিদ ফারজানা সুলতানা। এটি মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্প বলে জানিয়েছেন আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রুবাইয়াৎ কবীর।

যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএস বলছে, উৎপত্তিস্থলে ভূমিকম্পের মাত্রা ৫ দশমিক ৩।

তবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব বিভাগের সাবেক অধ্যাপক হুমায়ূন আখতার জানান, পরপর দুই দফা এই ভূমিকম্প অনুভূত হয়। উৎপত্তিস্থল সাতক্ষীরা বলে তিনিও জানিয়েছেন ।

এদিকে বাংলাদেশের পাশাপাশি ভারতের কলকাতায়ও ভূকম্পন অনুভূত হয়েছে। সেখানে মাত্রা ছিল ৫ দশমিত ৩।

আনন্দবাজারের প্রতিবেদন বলছে, শুক্রবার দুপুরে উত্তর থেকে দক্ষিণ কলকাতায় কম্পন অনুভূত হয়েছে। কয়েক সেকেন্ড টানা কেঁপেছে শহরের বিভিন্ন বহুতল। ভয়ে এবং আতঙ্কে বাড়ি, অফিস ছেড়ে অনেকে বাইরে বেরিয়ে যান। কয়েকটি পুরনো বাড়ি হেলে পড়ার খবর পাওয়া গেছে।

পশ্চিমবঙ্গের অন্যান্য জেলাতেও কম্পন অনুভূত হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের টাকি থেকে ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল খুলনার দূরত্ব প্রায় ২৬ কিলোমিটার। কলকাতার পাশাপাশি দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে জোরালো কম্পন অনুভূত হয়েছে। পশ্চিম মেদিনীপুরের মেদিনীপুর শহরেও আতঙ্ক ছড়ায়। এলাকার বাড়ি এবং আবাসন নড়ে যায়। বন্ধ থাকা সিলিং ফ্যান দুলতে থাকে বেশ কিছুক্ষণ। একই ভাবে ঝাড়গ্রাম জেলাতেও ভূমিকম্পের অনুভূতি পেয়েছেন অনেকেই। হাওড়া এবং হুগলিতেও একই পরিস্থিতি।

তাৎক্ষণিকভাবে এই ভূমিকম্পে কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

উল্লেখ্য, ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে গত বুধবার রাতে ভূকম্পন অনুভূত হয়। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ১। ওই ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল মিয়ানমারে। এটি ছিল মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্প।