ঢাকা ০৫:০৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ওসির বিরুদ্ধে অভিযোগের পাহাড়, অবশেষে বদলির আদেশ। রাজশাহীর মোহনপুরের মিষ্টি পান এখন উপজেলা প্রশাসনের সাইনবোর্ডে! উৎসবমুখর পরিবেশে ‘দৈনিক অগ্রযাত্রা প্রতিদিন’-এর প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত। নেতৃত্বের অনন্য উচ্চতায় ৯ নং পারিলা ইউপি চেয়ারম্যান জনাব সাঈদ আলী মোর্শেদ। ইরান মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ২৬ সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে। ধূরইল ইয়াংস্টার ক্লাব বনাম সাদনান একাদশ ফুটবল ম্যাচের শুভ উদ্বোধন ​। গাজীপুরে শ্রমিকদের বিক্ষোভ, পুলিশ বক্সে অগ্নিসংযোগ! পোশাক শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষের পর ২৬ কারখানায় ছুটি ঘোষণা! ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের ফের বড় ধরণের ড্রোন হামলা:ধ্বংসের দাবি সৌদির! এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাশের হার ৫২.১২ শতাংশ

কাজ সমাজে মানুষের কদর বৃদ্ধি করেন।

রাজশাহী নগরীতে ‘ ব্লুমিং রোজ কিচেন’ শিক্ষিত বেকারদের জন্য অনুস্মরনীয়।

রাজশাহী ব্যুরো:
  • আপডেট সময় : ০৯:৪৭:৪০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ৪৭৮ বার পড়া হয়েছে

 

রাজশাহী ব্যুরো:

উত্তরবঙ্গের রাজধানী রাজশাহী যা শিক্ষা নগরী হিসেবেও পরিচিত।এখানে এমন কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নেই যা অন্য বিভাগ বা জেলায় আছে।সারাদেশে প্রতিদিন বিপুল সংখ্যার শিক্ষিত বেকার বের হচ্ছে। সবারই চিন্তা ভাবনা শিক্ষা জীবন শেষে একটি সরকারী চাকুরীর কিন্ত আমাদের দেশের সবাইকে চাকুরী দেওয়ার সক্ষমতা সরকারী- বেসরকারী প্রতিষ্ঠান গুলোর নেই।

নাদিম আহম্মেদ সিজার, পিতা মৃত নুরুল ইসলাম বিএ পাশ করে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্ম জীবন শুরু করেন। বেতন ভাতা খারাপ পেতেন না প্রায় ৪০,০০০/- (চল্লিশ হাজার) টাকা। তারপর তিনটি প্রতিষ্ঠানে চাকুরী করেও ভাল লাগেনি । কোথায় যেন একটা ঘাটতি থেকে যায়।

স্বাধীনচেতা সিজার চাকুরী ছেড়ে দিয়ে মিনি থাই রেস্টুরেন্ট করেছেন কালেক্টরেট মাঠের উত্তরে সরকারী রাস্তার পাশে, এখানে স্বল্প মূল্যে গরম গরম থাই, চাইনিজ বিভিন্ন মুখরোচক খাবার খেয়ে দেখা যায় চমৎকার স্মার্ট পরিবেশনা।তাকে সাহায্য করছেন তার স্ত্রী ।তার স্ত্রী এলএলবি কমপ্লিট করে এডভোকেট পরীক্ষায় পাশ করার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তাদের ৫/৬ বছরের ফুটফুটে একটি ছেলে আছে। স্বামী – স্ত্রী ও সন্তান মিলে গড়ে তুলেছেন ‘ ব্লুমিং রোজ কিচেন’ এটা যেন একটি ব্যবসায়িক পরিবারের মিলন মেলা ।

যেদেশে “পাছে লোকে কিছু বলে” এই টাইপের লোক বর্তমানেও অধিক সংখ্যক বিদ্যমান। সেখানে কোন কিছুর তোয়াক্কা না করে স্মার্টলি ব্যবসা করে বুঝিয়ে দিতে সক্ষম হয়েছেন কোন কাজই ছোট না। আমাদের দেশের লক্ষ লক্ষ বেকার রয়েছেন ” নাদিম আহম্মেদ সিজার” তাঁদের কাছে নিঃসন্দেহে অনুপ্রাণিত হবেন।কাজ এর কোন ছোট – বড় নেই, কারনেই পজেটিভ মানসিকতার বেকারদের জীবন যাপনে কোন অসুবিধা হয় না।তারা যেভাবেই হোক ইজ্জতের ভয়ে ইজ্জত নষ্ট করার পত্র নন ।অপর দিকে নেগেটিভ মানসিকতার অনেক শিক্ষিত বেকার আছেন। এটা করা যাবে না,ওটা করা যাবেনা টাইপের।তারা শেষ পর্যন্ত বেকারই থেকে যায়।

 

 

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

কাজ সমাজে মানুষের কদর বৃদ্ধি করেন।

রাজশাহী নগরীতে ‘ ব্লুমিং রোজ কিচেন’ শিক্ষিত বেকারদের জন্য অনুস্মরনীয়।

আপডেট সময় : ০৯:৪৭:৪০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫

 

রাজশাহী ব্যুরো:

উত্তরবঙ্গের রাজধানী রাজশাহী যা শিক্ষা নগরী হিসেবেও পরিচিত।এখানে এমন কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নেই যা অন্য বিভাগ বা জেলায় আছে।সারাদেশে প্রতিদিন বিপুল সংখ্যার শিক্ষিত বেকার বের হচ্ছে। সবারই চিন্তা ভাবনা শিক্ষা জীবন শেষে একটি সরকারী চাকুরীর কিন্ত আমাদের দেশের সবাইকে চাকুরী দেওয়ার সক্ষমতা সরকারী- বেসরকারী প্রতিষ্ঠান গুলোর নেই।

নাদিম আহম্মেদ সিজার, পিতা মৃত নুরুল ইসলাম বিএ পাশ করে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্ম জীবন শুরু করেন। বেতন ভাতা খারাপ পেতেন না প্রায় ৪০,০০০/- (চল্লিশ হাজার) টাকা। তারপর তিনটি প্রতিষ্ঠানে চাকুরী করেও ভাল লাগেনি । কোথায় যেন একটা ঘাটতি থেকে যায়।

স্বাধীনচেতা সিজার চাকুরী ছেড়ে দিয়ে মিনি থাই রেস্টুরেন্ট করেছেন কালেক্টরেট মাঠের উত্তরে সরকারী রাস্তার পাশে, এখানে স্বল্প মূল্যে গরম গরম থাই, চাইনিজ বিভিন্ন মুখরোচক খাবার খেয়ে দেখা যায় চমৎকার স্মার্ট পরিবেশনা।তাকে সাহায্য করছেন তার স্ত্রী ।তার স্ত্রী এলএলবি কমপ্লিট করে এডভোকেট পরীক্ষায় পাশ করার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তাদের ৫/৬ বছরের ফুটফুটে একটি ছেলে আছে। স্বামী – স্ত্রী ও সন্তান মিলে গড়ে তুলেছেন ‘ ব্লুমিং রোজ কিচেন’ এটা যেন একটি ব্যবসায়িক পরিবারের মিলন মেলা ।

যেদেশে “পাছে লোকে কিছু বলে” এই টাইপের লোক বর্তমানেও অধিক সংখ্যক বিদ্যমান। সেখানে কোন কিছুর তোয়াক্কা না করে স্মার্টলি ব্যবসা করে বুঝিয়ে দিতে সক্ষম হয়েছেন কোন কাজই ছোট না। আমাদের দেশের লক্ষ লক্ষ বেকার রয়েছেন ” নাদিম আহম্মেদ সিজার” তাঁদের কাছে নিঃসন্দেহে অনুপ্রাণিত হবেন।কাজ এর কোন ছোট – বড় নেই, কারনেই পজেটিভ মানসিকতার বেকারদের জীবন যাপনে কোন অসুবিধা হয় না।তারা যেভাবেই হোক ইজ্জতের ভয়ে ইজ্জত নষ্ট করার পত্র নন ।অপর দিকে নেগেটিভ মানসিকতার অনেক শিক্ষিত বেকার আছেন। এটা করা যাবে না,ওটা করা যাবেনা টাইপের।তারা শেষ পর্যন্ত বেকারই থেকে যায়।