ঢাকা ০৩:৪১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ওসির বিরুদ্ধে অভিযোগের পাহাড়, অবশেষে বদলির আদেশ। রাজশাহীর মোহনপুরের মিষ্টি পান এখন উপজেলা প্রশাসনের সাইনবোর্ডে! উৎসবমুখর পরিবেশে ‘দৈনিক অগ্রযাত্রা প্রতিদিন’-এর প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত। নেতৃত্বের অনন্য উচ্চতায় ৯ নং পারিলা ইউপি চেয়ারম্যান জনাব সাঈদ আলী মোর্শেদ। ইরান মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ২৬ সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে। ধূরইল ইয়াংস্টার ক্লাব বনাম সাদনান একাদশ ফুটবল ম্যাচের শুভ উদ্বোধন ​। গাজীপুরে শ্রমিকদের বিক্ষোভ, পুলিশ বক্সে অগ্নিসংযোগ! পোশাক শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষের পর ২৬ কারখানায় ছুটি ঘোষণা! ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের ফের বড় ধরণের ড্রোন হামলা:ধ্বংসের দাবি সৌদির! এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাশের হার ৫২.১২ শতাংশ

চিকিৎসা মনোবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ ঘোষনা!

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০৯:৩৬:৩৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ অক্টোবর ২০২৫ ২০৭ বার পড়া হয়েছে

 

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি :

মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) দুপুর দেড়টার দিকে বিভাগের চেয়ারম্যানের কক্ষে তালা ঝুলিয়ে চিকিৎসা মনোবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরা এক কর্মসূচি ঘোষণা করেন।

এর আগে তিন দফা দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বরাবর স্মারকলিপি দেন শিক্ষার্থীরা।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) বৈষম্যমূলক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি সংশোধনসহ তিন দাবিতে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন চিকিৎসা মনোবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরা।

অন্য দুটি দাবি হলো- ইন্টার্নশিপ ভাতা চালু এবং বিসিএস পরীক্ষায় চিকিৎসা মনোবিজ্ঞানকে টেকনিক্যাল ক্যাডার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা।

এ সময় তারা ‘আপস না সংগ্রাম, সংগ্রাম সংগ্রাম’, ‘সাইকোলজির আধিপত্য, মানি না মানব না’, ‘ওয়ান-টু-থ্রি-ফোর, বৈষম্য নো মোর’, ‘সাইকোলজির আধিপত্য, ভেঙে দাও গুঁড়িয়ে দাও’ প্রভৃতি স্লোগান দেন।

বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের ফারহানা জেবিন (লিজা) বলেন, ইন্টার্নশিপ প্রোগ্রামের জন্য আমাদের ঢাকায় অবস্থান করতে হয়। আমাদের মতো মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তানদের জন্য ঢাকায় গিয়ে নিজেদের খরচ চালানো কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে। এক্ষেত্রে যদি ইন্টার্নশিপ ভাতা চালু করা হয় তাহলে আমাদের কষ্ট অনেকটাই লাঘব হবে। বিভাগ প্রতিষ্ঠার দশ বছর হয়ে গেলেও এখনো এসব নিয়ে কোনো দৃষ্টিগোচর পদক্ষেপ দেখা যায়নি।

শিক্ষক নিয়োগে বৈষম্যের অভিযোগ তুলে একই বিভাগের ১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মো. সুমন আলী বলেন, বিভাগের শিক্ষক নিয়োগের সার্কুলারে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছিল যে শুধুমাত্র চিকিৎসা মনোবিজ্ঞান বিভাগের অনার্স ও মাস্টার্স করা শিক্ষার্থীরাই শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পাবেন। তবে বিভিন্ন কারণে সেই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা সম্ভব হয়নি। সম্প্রতি ২০২৫ সালে প্রকাশিত শিক্ষক নিয়োগের সার্কুলারে মনোবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়; কিন্তু কিছুদিন আগে মনোবিজ্ঞান বিভাগে শিক্ষক নিয়োগ হলে, সেখানে চিকিৎসা মনোবিজ্ঞান বিভাগের কোনো শিক্ষার্থীকে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়নি।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, বিভাগের বর্তমান চেয়ারম্যান অধ্যাপক এনামুল হক মনোবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক। তিনি এ পদে আসার পর বিভাগের পূর্ববর্তী শিক্ষক নিয়োগের সার্কুলারের শর্ত পরিবর্তন করেছেন। তারা ২৪ ঘণ্টা সময় বেঁধে দিয়েছেন। এ সময়ের মধ্যে দাবি না মানলে শাটডাউন চলবে।

এ ব্যাপারে চিকিৎসা মনোবিজ্ঞান বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক মো. এনামুল হককে মোবাইলে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

চিকিৎসা মনোবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ ঘোষনা!

আপডেট সময় : ০৯:৩৬:৩৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ অক্টোবর ২০২৫

 

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি :

মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) দুপুর দেড়টার দিকে বিভাগের চেয়ারম্যানের কক্ষে তালা ঝুলিয়ে চিকিৎসা মনোবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরা এক কর্মসূচি ঘোষণা করেন।

এর আগে তিন দফা দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বরাবর স্মারকলিপি দেন শিক্ষার্থীরা।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) বৈষম্যমূলক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি সংশোধনসহ তিন দাবিতে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন চিকিৎসা মনোবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরা।

অন্য দুটি দাবি হলো- ইন্টার্নশিপ ভাতা চালু এবং বিসিএস পরীক্ষায় চিকিৎসা মনোবিজ্ঞানকে টেকনিক্যাল ক্যাডার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা।

এ সময় তারা ‘আপস না সংগ্রাম, সংগ্রাম সংগ্রাম’, ‘সাইকোলজির আধিপত্য, মানি না মানব না’, ‘ওয়ান-টু-থ্রি-ফোর, বৈষম্য নো মোর’, ‘সাইকোলজির আধিপত্য, ভেঙে দাও গুঁড়িয়ে দাও’ প্রভৃতি স্লোগান দেন।

বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের ফারহানা জেবিন (লিজা) বলেন, ইন্টার্নশিপ প্রোগ্রামের জন্য আমাদের ঢাকায় অবস্থান করতে হয়। আমাদের মতো মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তানদের জন্য ঢাকায় গিয়ে নিজেদের খরচ চালানো কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে। এক্ষেত্রে যদি ইন্টার্নশিপ ভাতা চালু করা হয় তাহলে আমাদের কষ্ট অনেকটাই লাঘব হবে। বিভাগ প্রতিষ্ঠার দশ বছর হয়ে গেলেও এখনো এসব নিয়ে কোনো দৃষ্টিগোচর পদক্ষেপ দেখা যায়নি।

শিক্ষক নিয়োগে বৈষম্যের অভিযোগ তুলে একই বিভাগের ১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মো. সুমন আলী বলেন, বিভাগের শিক্ষক নিয়োগের সার্কুলারে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছিল যে শুধুমাত্র চিকিৎসা মনোবিজ্ঞান বিভাগের অনার্স ও মাস্টার্স করা শিক্ষার্থীরাই শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পাবেন। তবে বিভিন্ন কারণে সেই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা সম্ভব হয়নি। সম্প্রতি ২০২৫ সালে প্রকাশিত শিক্ষক নিয়োগের সার্কুলারে মনোবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়; কিন্তু কিছুদিন আগে মনোবিজ্ঞান বিভাগে শিক্ষক নিয়োগ হলে, সেখানে চিকিৎসা মনোবিজ্ঞান বিভাগের কোনো শিক্ষার্থীকে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়নি।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, বিভাগের বর্তমান চেয়ারম্যান অধ্যাপক এনামুল হক মনোবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক। তিনি এ পদে আসার পর বিভাগের পূর্ববর্তী শিক্ষক নিয়োগের সার্কুলারের শর্ত পরিবর্তন করেছেন। তারা ২৪ ঘণ্টা সময় বেঁধে দিয়েছেন। এ সময়ের মধ্যে দাবি না মানলে শাটডাউন চলবে।

এ ব্যাপারে চিকিৎসা মনোবিজ্ঞান বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক মো. এনামুল হককে মোবাইলে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।