ঢাকা ০৪:১৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ওসির বিরুদ্ধে অভিযোগের পাহাড়, অবশেষে বদলির আদেশ। রাজশাহীর মোহনপুরের মিষ্টি পান এখন উপজেলা প্রশাসনের সাইনবোর্ডে! উৎসবমুখর পরিবেশে ‘দৈনিক অগ্রযাত্রা প্রতিদিন’-এর প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত। নেতৃত্বের অনন্য উচ্চতায় ৯ নং পারিলা ইউপি চেয়ারম্যান জনাব সাঈদ আলী মোর্শেদ। ইরান মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ২৬ সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে। ধূরইল ইয়াংস্টার ক্লাব বনাম সাদনান একাদশ ফুটবল ম্যাচের শুভ উদ্বোধন ​। গাজীপুরে শ্রমিকদের বিক্ষোভ, পুলিশ বক্সে অগ্নিসংযোগ! পোশাক শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষের পর ২৬ কারখানায় ছুটি ঘোষণা! ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের ফের বড় ধরণের ড্রোন হামলা:ধ্বংসের দাবি সৌদির! এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাশের হার ৫২.১২ শতাংশ

ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের আমলে,

সাবেক মেয়র লিটন ও তার দোসরদের অন্যের সম্পত্তি জ্বাল দলিলের মাধ্যমে ক্রয় – বিক্রয়!

ক্রাইম নিউজ প্রতিক্ষণ ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ০৮:০৩:২৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২৫ ৫৩৬ বার পড়া হয়েছে

( ফর্দ – ১)

ক্রাইম নিউজ প্রতিক্ষণ ডেস্ক:

জেলা রাজশাহী থানা বোয়ালিয়া,বর্তমানে শাহ মাখদুম থানার অন্তর্গত মৌজা পবা, জেএল নং ৮১, সিএস খং নং ১৭৮, এসএ খংনং ১৮৪, আরএস খংনং ১৫৯, আরএস দাগ নং ৬৬৫, ৭০২, ৭০৮, ৭০৯, ৭১০ ,৭১১, ৭১২, ৭১৩ সম্পত্তির পরিমাণ ১৫.৯৯ একর সম্পত্তির মালিক মৃত কাজী জিয়ারত হোসেনের ওয়ারিশগন কাজী নাসিম হোসেন, কাজী শামীম হোসেন, কাজী মাহাবুব হোসেন ও মেনোকা বেগম, অপর ভ্রাতা কাজী রিয়াজত হোসেনের ওয়ারিশগণ কাজী রুবায়েত হোসেন ও কাজী জুনায়েদ হোসেন । উল্লেখ্য আরএস খতিয়ানে কাজী জিয়ারত হোসেন ও ভ্রাতা কাজী রিয়াজত হোসেনের নাম রয়েছে। উপরে উল্লেখিত ওয়ারিশগন উল্লেখিত তফসিল সম্পত্তির প্রকৃত মালিক।

আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির উপদেষ্টা মন্ডলীর সভাপতি, পলাতক সবেক মেয়র ভূমিদস্যু এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন ও তাঁর কিছু পা চাটা দোসর ভুয়া খতিয়ান ও দলিলের মাধ্যমে ক্রয় – বিক্রয় করে মর্মে ক্রাইম নিউজ প্রতিক্ষণ বরাবর একটি লিখিত আবেদন করা হয় অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করার জন্য। অতঃপর ক্রাইম নিউজ প্রতিক্ষণ এর অনুসন্ধানী টিম বিষয়টির ব্যাপক অনুসন্ধান করে এবং প্রকৃত মালিকগণের দাবীর সত্যতা পাওয়া যায়। ভূমিদস্যু এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন ও তার দোসরগন রাজশাহীতে ” ভূমিদস্যু” কে শিল্পের পর্যায়ে নিয়ে যায়।তারা যে সম্পত্তি জ্বাল বা ভুয়া খতিয়ান ও দলিলের মাধ্যমে ক্রয় বিক্রয় করে তার প্রমাণ নিশ্চিহ্ন করার জন্য সমস্ত দপ্তরে খতিয়ান ও রেকর্ডের পাতা ছিঁড়ে ফেলে।কথায় আছে অপরাধী অপরাধ করার সময় নিজের অজান্তে কিছু প্রমাণ রেখে যায়। ভূমিদস্যু লিটন ও তার সহযোগীদের একই অবস্থা।

সরেজমিনে দেখা যায় ১) ভূমিদস্যু এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন,পিতা মৃত এএইচএম কামরুজ্জামান,সাং – ১৪৭/৩, উপশহর হাউজিং স্টেট,থানা বোয়ালিয়া,জেলা রাজশাহী ২) মোঃ সামসুজ্জামান ওরফে আউয়াল,পিতা মৃত ওমর আলী,সাং – শাহ্ মখদুম রোড, দরগাপাড়া,থানা বোয়ালিয়া,জেলা রাজশাহীদ্বয় দলিল নং ৫১, তারিখ ০৪/০১/২০২১ ইং মূলে জ্বাল বা ভুয়া দলিল ও খতিয়ানের মাধ্যমে মালিক বনে যান এবং অবৈধভাবে ক্ষমতায় থাকাকালীন তাদের নামে নামজারি করে।যার দাগ নং ৬৫৯,৭১৮, পরিমাণ ১.৬৮ একর। লিটন ও সামসুজ্জামান ওরফে আউয়াল এর নামে আরও একটি দলিল পাওয়া যায় যার দলিল নং ২১৬৩, তারিখ ১৪/০৩/২০২১ ইং, যার দাগ নং একই জমির পরিমাণ.৮৪ একর।

তারা শুধু এখানেই ক্ষান্ত হননি আরো কিছু সহযোগীদের একই পথ ভূমিদস্যু লিটন দেখিয়ে দেয় তার দোসরদের তারাও উক্ত জমিতে অবৈধ ভাবে অবস্থান করছে।

উল্লেখ্য, বিগত সরকারের প্রায় ১৬ বছর প্রকৃত মালিকগন তাদের জমিতে নামতে পারেনি। গত বছরের ০৫ আগষ্ট আওয়ামী সরকারের পতনের পর প্রকৃত মালিক মৃত কাজী জিয়ারত হোসেনের ওয়ারিশ এবং অপর ভ্রাতা কাজী রিয়াজত হোসেনের ওয়ারিশগণ উক্ত সম্পত্তিতে নেমে মাপজোক করতে গেলে তাদের প্রাণনাশের হুমকি দেয়া হয়, যা এখনও অব্যহত রয়েছে। মাপজোক করে যে সীমানা পিলার পোতা হয় তা রাতের অন্ধকারে কে বা কারা তুলে ফেলে।

আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার সকলের রয়েছে। কিন্তু বর্তমান প্রেক্ষাপট বদল হওয়ামাত্র ভূমিদস্যুদের সাথে কথা বলার জন্য অনেক চেষ্টা করেও তাদের বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি কোনভাবেই। জানা গেছে সাবেক মেয়রসহ তার সাঙ্গপাঙ্গ ০৫ আগষ্টের পর আত্মগোপনে চলে গেছে।

( চলবে)

অনুসন্ধানী প্রতিবেদন এর বাকী ফর্দ-২ অতি শীঘ্রই আসছে তাই চোখ রাখুন ” ক্রাইম নিউজ প্রতিক্ষণ” এর পাতায়…….

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের আমলে,

সাবেক মেয়র লিটন ও তার দোসরদের অন্যের সম্পত্তি জ্বাল দলিলের মাধ্যমে ক্রয় – বিক্রয়!

আপডেট সময় : ০৮:০৩:২৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২৫

( ফর্দ – ১)

ক্রাইম নিউজ প্রতিক্ষণ ডেস্ক:

জেলা রাজশাহী থানা বোয়ালিয়া,বর্তমানে শাহ মাখদুম থানার অন্তর্গত মৌজা পবা, জেএল নং ৮১, সিএস খং নং ১৭৮, এসএ খংনং ১৮৪, আরএস খংনং ১৫৯, আরএস দাগ নং ৬৬৫, ৭০২, ৭০৮, ৭০৯, ৭১০ ,৭১১, ৭১২, ৭১৩ সম্পত্তির পরিমাণ ১৫.৯৯ একর সম্পত্তির মালিক মৃত কাজী জিয়ারত হোসেনের ওয়ারিশগন কাজী নাসিম হোসেন, কাজী শামীম হোসেন, কাজী মাহাবুব হোসেন ও মেনোকা বেগম, অপর ভ্রাতা কাজী রিয়াজত হোসেনের ওয়ারিশগণ কাজী রুবায়েত হোসেন ও কাজী জুনায়েদ হোসেন । উল্লেখ্য আরএস খতিয়ানে কাজী জিয়ারত হোসেন ও ভ্রাতা কাজী রিয়াজত হোসেনের নাম রয়েছে। উপরে উল্লেখিত ওয়ারিশগন উল্লেখিত তফসিল সম্পত্তির প্রকৃত মালিক।

আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির উপদেষ্টা মন্ডলীর সভাপতি, পলাতক সবেক মেয়র ভূমিদস্যু এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন ও তাঁর কিছু পা চাটা দোসর ভুয়া খতিয়ান ও দলিলের মাধ্যমে ক্রয় – বিক্রয় করে মর্মে ক্রাইম নিউজ প্রতিক্ষণ বরাবর একটি লিখিত আবেদন করা হয় অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করার জন্য। অতঃপর ক্রাইম নিউজ প্রতিক্ষণ এর অনুসন্ধানী টিম বিষয়টির ব্যাপক অনুসন্ধান করে এবং প্রকৃত মালিকগণের দাবীর সত্যতা পাওয়া যায়। ভূমিদস্যু এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন ও তার দোসরগন রাজশাহীতে ” ভূমিদস্যু” কে শিল্পের পর্যায়ে নিয়ে যায়।তারা যে সম্পত্তি জ্বাল বা ভুয়া খতিয়ান ও দলিলের মাধ্যমে ক্রয় বিক্রয় করে তার প্রমাণ নিশ্চিহ্ন করার জন্য সমস্ত দপ্তরে খতিয়ান ও রেকর্ডের পাতা ছিঁড়ে ফেলে।কথায় আছে অপরাধী অপরাধ করার সময় নিজের অজান্তে কিছু প্রমাণ রেখে যায়। ভূমিদস্যু লিটন ও তার সহযোগীদের একই অবস্থা।

সরেজমিনে দেখা যায় ১) ভূমিদস্যু এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন,পিতা মৃত এএইচএম কামরুজ্জামান,সাং – ১৪৭/৩, উপশহর হাউজিং স্টেট,থানা বোয়ালিয়া,জেলা রাজশাহী ২) মোঃ সামসুজ্জামান ওরফে আউয়াল,পিতা মৃত ওমর আলী,সাং – শাহ্ মখদুম রোড, দরগাপাড়া,থানা বোয়ালিয়া,জেলা রাজশাহীদ্বয় দলিল নং ৫১, তারিখ ০৪/০১/২০২১ ইং মূলে জ্বাল বা ভুয়া দলিল ও খতিয়ানের মাধ্যমে মালিক বনে যান এবং অবৈধভাবে ক্ষমতায় থাকাকালীন তাদের নামে নামজারি করে।যার দাগ নং ৬৫৯,৭১৮, পরিমাণ ১.৬৮ একর। লিটন ও সামসুজ্জামান ওরফে আউয়াল এর নামে আরও একটি দলিল পাওয়া যায় যার দলিল নং ২১৬৩, তারিখ ১৪/০৩/২০২১ ইং, যার দাগ নং একই জমির পরিমাণ.৮৪ একর।

তারা শুধু এখানেই ক্ষান্ত হননি আরো কিছু সহযোগীদের একই পথ ভূমিদস্যু লিটন দেখিয়ে দেয় তার দোসরদের তারাও উক্ত জমিতে অবৈধ ভাবে অবস্থান করছে।

উল্লেখ্য, বিগত সরকারের প্রায় ১৬ বছর প্রকৃত মালিকগন তাদের জমিতে নামতে পারেনি। গত বছরের ০৫ আগষ্ট আওয়ামী সরকারের পতনের পর প্রকৃত মালিক মৃত কাজী জিয়ারত হোসেনের ওয়ারিশ এবং অপর ভ্রাতা কাজী রিয়াজত হোসেনের ওয়ারিশগণ উক্ত সম্পত্তিতে নেমে মাপজোক করতে গেলে তাদের প্রাণনাশের হুমকি দেয়া হয়, যা এখনও অব্যহত রয়েছে। মাপজোক করে যে সীমানা পিলার পোতা হয় তা রাতের অন্ধকারে কে বা কারা তুলে ফেলে।

আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার সকলের রয়েছে। কিন্তু বর্তমান প্রেক্ষাপট বদল হওয়ামাত্র ভূমিদস্যুদের সাথে কথা বলার জন্য অনেক চেষ্টা করেও তাদের বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি কোনভাবেই। জানা গেছে সাবেক মেয়রসহ তার সাঙ্গপাঙ্গ ০৫ আগষ্টের পর আত্মগোপনে চলে গেছে।

( চলবে)

অনুসন্ধানী প্রতিবেদন এর বাকী ফর্দ-২ অতি শীঘ্রই আসছে তাই চোখ রাখুন ” ক্রাইম নিউজ প্রতিক্ষণ” এর পাতায়…….