ঢাকা ০২:১৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ওসির বিরুদ্ধে অভিযোগের পাহাড়, অবশেষে বদলির আদেশ। রাজশাহীর মোহনপুরের মিষ্টি পান এখন উপজেলা প্রশাসনের সাইনবোর্ডে! উৎসবমুখর পরিবেশে ‘দৈনিক অগ্রযাত্রা প্রতিদিন’-এর প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত। নেতৃত্বের অনন্য উচ্চতায় ৯ নং পারিলা ইউপি চেয়ারম্যান জনাব সাঈদ আলী মোর্শেদ। ইরান মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ২৬ সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে। ধূরইল ইয়াংস্টার ক্লাব বনাম সাদনান একাদশ ফুটবল ম্যাচের শুভ উদ্বোধন ​। গাজীপুরে শ্রমিকদের বিক্ষোভ, পুলিশ বক্সে অগ্নিসংযোগ! পোশাক শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষের পর ২৬ কারখানায় ছুটি ঘোষণা! ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের ফের বড় ধরণের ড্রোন হামলা:ধ্বংসের দাবি সৌদির! এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাশের হার ৫২.১২ শতাংশ

রাজশাহীর,

পবায় অনুমতি ছাড়াই সরকারি গাছের ডাল কাটার অভিযোগ, স্থানীয়দের ক্ষোভ।

আলাউদ্দিন মন্ডল,রাজশাহী:
  • আপডেট সময় : ০৮:২৭:০৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬ ১১৭ বার পড়া হয়েছে

​আলাউদ্দীন মন্ডল, রাজশাহী :

রাজশাহীর পবা উপজেলার বাগধানী এলাকায় রাস্তার উন্নয়ন কাজ চলাকালীন কোনো ধরনের অনুমতি ছাড়াই রাস্তার পাশের সরকারি গাছগুলোর ডালপালা নির্বিচারে কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। পরিবেশ ধ্বংস ও সরকারি সম্পত্তি বিনষ্ট করার এই ঘটনায় স্থানীয় সচেতন মহলে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

​এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার তেঘোর নওদাপাড়া এলাকার ওয়াহাব আলীর ছেলে তহির উদ্দিনের বিরুদ্ধে এই গাছ কাটার অভিযোগ রয়েছে। রাস্তার উন্নয়ন কাজের অজুহাতে তিনি ও তার সহযোগীরা নিয়মনীতি না মেনে সরকারি গাছগুলোর ডালপালা কেটে ফেলছেন।

​আইন অনুযায়ী সরকারি সম্পত্তি বা গাছ কাটার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমতি নেওয়ার স্পষ্ট বিধান রয়েছে। কিন্তু কোনো তোয়াক্কা না করেই সংশ্লিষ্ট নিয়মনীতি লঙ্ঘন করে এই ডালপালা কাটার মহোৎসব চলছে। এতে একদিকে যেমন এলাকার প্রাকৃতিক পরিবেশ ও সৌন্দর্য নষ্ট হচ্ছে, অন্যদিকে সরকারি সম্পত্তি লুটের আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

​পরিবেশকর্মী ও স্থানীয় সচেতন নাগরিকদের মতে, এই ধরনের বেআইনি কর্মকাণ্ড রোধ করা এবং দ্রুত প্রতিকার নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। সংবেদনশীল এই পরিস্থিতিতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য প্রশাসনের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়েছে:

​পবা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও): ঘটনার সত্যতা যাচাই করে অবিলম্বে এই অবৈধ কার্যক্রম বন্ধ এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া।

​ওসি, পবা থানা: সরকারি সম্পত্তি বিনষ্ট করার দায়ে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ নিশ্চিত করা।

​সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ: অনুমতি ছাড়া কীভাবে সরকারি রাস্তার গাছ কাটা হলো, সে বিষয়ে দাপ্তরিক তদন্ত ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা।

​স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত এই বিষয়ে কঠোর পদক্ষেপ না নিলে পরিবেশের আরও বড় ক্ষতি হতে পারে এবং অবৈধ গাছ কাটা চক্র আরও বেপরোয়া হয়ে উঠবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

রাজশাহীর,

পবায় অনুমতি ছাড়াই সরকারি গাছের ডাল কাটার অভিযোগ, স্থানীয়দের ক্ষোভ।

আপডেট সময় : ০৮:২৭:০৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬

​আলাউদ্দীন মন্ডল, রাজশাহী :

রাজশাহীর পবা উপজেলার বাগধানী এলাকায় রাস্তার উন্নয়ন কাজ চলাকালীন কোনো ধরনের অনুমতি ছাড়াই রাস্তার পাশের সরকারি গাছগুলোর ডালপালা নির্বিচারে কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। পরিবেশ ধ্বংস ও সরকারি সম্পত্তি বিনষ্ট করার এই ঘটনায় স্থানীয় সচেতন মহলে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

​এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার তেঘোর নওদাপাড়া এলাকার ওয়াহাব আলীর ছেলে তহির উদ্দিনের বিরুদ্ধে এই গাছ কাটার অভিযোগ রয়েছে। রাস্তার উন্নয়ন কাজের অজুহাতে তিনি ও তার সহযোগীরা নিয়মনীতি না মেনে সরকারি গাছগুলোর ডালপালা কেটে ফেলছেন।

​আইন অনুযায়ী সরকারি সম্পত্তি বা গাছ কাটার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমতি নেওয়ার স্পষ্ট বিধান রয়েছে। কিন্তু কোনো তোয়াক্কা না করেই সংশ্লিষ্ট নিয়মনীতি লঙ্ঘন করে এই ডালপালা কাটার মহোৎসব চলছে। এতে একদিকে যেমন এলাকার প্রাকৃতিক পরিবেশ ও সৌন্দর্য নষ্ট হচ্ছে, অন্যদিকে সরকারি সম্পত্তি লুটের আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

​পরিবেশকর্মী ও স্থানীয় সচেতন নাগরিকদের মতে, এই ধরনের বেআইনি কর্মকাণ্ড রোধ করা এবং দ্রুত প্রতিকার নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। সংবেদনশীল এই পরিস্থিতিতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য প্রশাসনের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়েছে:

​পবা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও): ঘটনার সত্যতা যাচাই করে অবিলম্বে এই অবৈধ কার্যক্রম বন্ধ এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া।

​ওসি, পবা থানা: সরকারি সম্পত্তি বিনষ্ট করার দায়ে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ নিশ্চিত করা।

​সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ: অনুমতি ছাড়া কীভাবে সরকারি রাস্তার গাছ কাটা হলো, সে বিষয়ে দাপ্তরিক তদন্ত ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা।

​স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত এই বিষয়ে কঠোর পদক্ষেপ না নিলে পরিবেশের আরও বড় ক্ষতি হতে পারে এবং অবৈধ গাছ কাটা চক্র আরও বেপরোয়া হয়ে উঠবে।