ঢাকা ০৫:২৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ওসির বিরুদ্ধে অভিযোগের পাহাড়, অবশেষে বদলির আদেশ। রাজশাহীর মোহনপুরের মিষ্টি পান এখন উপজেলা প্রশাসনের সাইনবোর্ডে! উৎসবমুখর পরিবেশে ‘দৈনিক অগ্রযাত্রা প্রতিদিন’-এর প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত। নেতৃত্বের অনন্য উচ্চতায় ৯ নং পারিলা ইউপি চেয়ারম্যান জনাব সাঈদ আলী মোর্শেদ। ইরান মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ২৬ সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে। ধূরইল ইয়াংস্টার ক্লাব বনাম সাদনান একাদশ ফুটবল ম্যাচের শুভ উদ্বোধন ​। গাজীপুরে শ্রমিকদের বিক্ষোভ, পুলিশ বক্সে অগ্নিসংযোগ! পোশাক শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষের পর ২৬ কারখানায় ছুটি ঘোষণা! ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের ফের বড় ধরণের ড্রোন হামলা:ধ্বংসের দাবি সৌদির! এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাশের হার ৫২.১২ শতাংশ

রাজশাহী নগরীর,

বেলপুকুর ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র অকল্যাণের সুতিকাগার!

বিশেষ প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০৫:০১:৩১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ ডিসেম্বর ২০২৫ ২৪৬ বার পড়া হয়েছে

 

বিশেষ প্রতিনিধিঃ

বর্তমানে সমাজে মব ভায়োলেন্স তৈরি হচ্ছে তাতে করে সংঘবদ্ধভাবে কাজ করা অপরাধীরা ভালই আছেন। আর যে বা যারা এই মবের শিকারে পরিনত হয়েছে তারা কথা বলার প্ল্যাটফর্ম খুঁজে না পেয়ে সাংবাদিকদের কাছে তুলে ধরছেন। কিন্তু আমরা আমাদের সীমাবদ্ধতার কারণে অনেকের বক্তব্য তুলে ধরতে পারছি না।
হয়ত আগামীতে আরো ব্যপক পরিসরে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করা সম্ভব হবে। ক্রাইম নিউজ প্রতিক্ষণ এর নির্বাহী সম্পাদক বরাবর একটি আবেদন আসে। একজন চাকুরীজীবী নারী ভিলেজ পলিটিক্সের শিকার এবং তার পাশে দাঁড়ানোর মত কেউ নেই। সে মনে করছে তার প্রতি অবিচার করা হয়েছে।আমরা সর্বদা অসহায় মজলুম মানুষের কথা তুলে ধরার চেষ্টা করি। দীর্ঘ প্রায় ১০/১২ দিন অনুসন্ধান পূর্বক প্রকৃত সত্য ঘটনা প্রকাশ করে সরকারের একাধিক আইন প্রয়োগকারী সংস্থা দেশের সাধারণ মানুষের কাছে তুলে ধরা হল।

মব ভায়োলেন্স এর শিকার বেলপুকুর ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র,পুঠিয়া, রাজশাহী’র উপসহকারী কমিউনিটি মেডিক্যাল অফিসার মোছা: শাহনাজ আখতার। তিনি জানান, তার সহকর্মী ফার্মাসিস্ট মোছা: শান্তা খাতুন,পিতা মোঃ নুর হোসেন মোল্লা, গ্রাম কাপাসিয়া,থানা মতিহার জেলা রাজশাহী তার স্বামীর ব্যবসায়িক কাজের জন্য বিগত ১৫/০৭/২০২৪ ইং তারিখে ৬,০০,০০০/-(ছয় লক্ষ) টাকা তিনশত টাকা মূল্যের নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে কর্জনামা লিখিত ভাবে সম্পাদন পূর্বক ধার হিসেবে উল্লেখ করে উক্ত টাকা স্বাক্ষীগণের উপস্থিতিতে গ্রহণ করেন এবং এই মর্মে ঘোষণা প্রদান করেন যে, ৩১/১০/২০২৪ ইং তারিখের মধ্যে উক্ত টাকা পরিশোধ করে দিবেন।

ভুক্তভোগী মোছা: শাহানাজ আখতার এর কোন স্বামী বা আত্মীয় পরিজন নেই, সে উক্ত উল্লেখিত অফিসের দ্বিতীয় তলার একটি রুমে বসবাস করেন, তার হোম ভিলেজ পাবনা। অপর দিকে ঋণ গ্রহণকারী শান্তা খাতুন উক্ত এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা। সংগত কারনেই তার শান্তা খাতুনের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ ও বিশ্বস্ততার সুসম্পর্ক গড়ে উঠে। এক পর্যায়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের এক কর্মকর্তা শাহনাজ আখতারকে উক্ত ঋণ শান্তাকে প্রদানের জন্য প্রভাবিত করেন। কোন এভিডেন্স না থাকায় উক্ত কর্মকর্তার নাম প্রকাশ করা সম্ভব হচ্ছে না এবং ঋণ হিসেবে ৬,০০,০০০/- টাকা গ্রহণ করার পর তা পরিশোধ না করার জন্য নানা অজুহাত দেখিয়ে আজ,কাল,পরশু বলে কালক্ষেপণ করতে থাকাবস্থায় গত ০৮/১১/২৫ ইং বেলা প্রায় ৩.৩০ ঘটিকায় কতিপয় দুর্বৃত্তদের হামলার শিকার হন মোছা: শাহনাজ আখতার,পিতা শফিউল্লাহ, মাতা মোছা: আনিসা বিবি, স্থায়ী ঠিকানা: গ্রাম দিয়াড় বাঘাইল, ডাক – দিয়াড় সাহাপুর -৬৬২০,থানা – ঈশ্বরদী,জেলা পাবনা, বর্তমান ঠিকানা – বেলপুকুর ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র, এদিন তাঁকে দুইজন মহিলা ও একজন পুরুষ বাঁশের লাঠি দ্বারা তাকে বেদম প্রহার করে ও তার জামা কাপড় ছিঁড়ে শ্লীলতাহানি করে। অতঃপর কিছু মানুষের সহায়তায় তাকে মারপিটের বিষয়টি প্রথমে ইউএনও, পুঠিয়া এবং ওসি বেলপুকুর, মহানগর রাজশাহীকে জানান ও ৫০ শয্যা বিশিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কেন্দ্র, পুঠিয়া,রাজশাহীতে ভর্তি হন। সেখানে ০৯/১১/২৫ ইং হতে ১৮/১১/২৫ ইং পর্যন্ত চিকিৎসাধীন ছিলেন ।মোবাইলের মাধ্যমে বিষয়টি তার ঊর্ধ্বতন অফিসারদেরও অবগত করেন। ফলে তার অফিসার তাকে দেখতে উক্ত স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান।

তথাপিও তার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা গত ২০/১১/২৫ ইং তারিখে শোকজ নোটিশে স্বাক্ষর করে ২২ তারিখে উক্ত নোটিশ শাহনাজকে প্রদান করেন। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয় ” বিনা অনুমতিতে ০৯/১১ থেকে ১৮/১১/২৫ ইং পর্যন্ত কর্মস্থলে অনুপস্থিত এবং সেবা গ্রহনকারীদের সাথে দুর্ব্যবহারের” ।তিন কার্যদিবসের মধ্যে উক্ত নোটিশের/ কৈফিয়ত তলবের জবাব দিতে বলা হয়।যে অফিসার তাকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দেখতে যান সেই অফিসারই কৈফিয়ত তলবের নোটিশ প্রদান করেন।তাই পরিষ্কার বোঝা যায়। কারো দ্বারা প্রভাবিত বা প্ররোচিত বা অজ্ঞাত কারণে কৈফিয়ত তলবের নোটিশ প্রদান করা হয়েছে বলে দাবী করেন শাহনাজ আখতার।

তিনি আরো জানান, গত ২৪/১১/২৫ ইং তারিখে উক্ত ফৈফিয়ত তলবের নোটিশ এর জবাব প্রদান করেন। কিন্ত আশ্চর্য্যের বিষয় গত ২৭/১১/২০২৫ ইং তারিখে তাকে চার্জ বুঝিয়ে দিয়ে রাজশাহীর বাগমারা বদলি করা হয়। তার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে একাধিক বার সেল ফোনে ফোন করা হলেও ফোন রিসিভ করেননি।ফলে তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

এ প্রসঙ্গে পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র,বিভাগীয় প্রধানের সাথে সেল ফোনে কথা বলা হলে, তিনি জানান শাহনাজ আখতার এর বিরুদ্ধে বেলপুকুর থানার অধিবাসীদের পক্ষে একটি অভিযোগ দেয়া হয়েছে। তিনি জানান ইতিপূর্বে পাবনায় চাকুরীরত অবস্থায় শাহনাজ আখতার অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটিয়েছে। এই বিষয়ে শাহনাজ আখতার বলেন পাবনায় তার ঊর্ধ্বতন অফিসার তার ইজ্জত নষ্ট করার মানসে গায়ে হাত দিলে তিনি অফিসারকে তাৎক্ষণিক ভাবে তীব্র প্রতিবাদ জানান এবং ভবিষ্যতে এধরনের কার্যকলাপ হতে বিরত থাকতে বলাই তার অপরাধ।

চাকুরী ক্ষেত্রে পুরুষ সহকর্মী কর্তৃক নারী সহকর্মীর যৌণ হয়রানি কম বেশি সব অফিসেই হয়ে থাকে যা নারীগণ মান সম্মান বা চাকুরী হারানোর ভয়ে মুখ খোলেন না। পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র গুলিতে এই যৌণ হয়রানি সব থেকে বেশী। তাকেও একাধিকবার নষ্ট করার চেষ্টা করা হলেও তিনি তা প্রতিহত করেছেন । নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তার কাছে তাকে পিয়ন মারফত নিয়ে গেলে উক্ত অফিসার তার সামনে প্রকাশ্যে বলেন ” কি নিয়ে এসেছ।ভাল ভাল মুরগি নিয়ে আসবা”। মুরগি বলতে এখানে সুন্দরী যুবতীদের বোঝানো হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

১৯৭৯ সালের সরকারী চাকুরী বিধি মোতাবেক সহকর্মী বা অফিসের কারো সাথে আর্থিক লেনদেন এর সুযোগ নেই। আর যদি আর্থিক লেনদেন ঘটে সেক্ষেত্রে ঋণ গ্রহণকারী ও ঋণ প্রদানকারী উভয়েই সমান অপরাধী। শাহনাজ আখতার কে বদলি করা হলেও শান্তা খাতুনকে কেন বদলি করা হয়নি? এরূপ প্রশ্ন তুলে শাহনাজ বলেন যে, শান্তা খাতুন সুন্দরী তাই তাকে কোন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ না করে আমার বিরুদ্ধে এমন সময় বদলির নির্দেশ দিয়েছেন যখন আমি অসুস্থ্য। আসলে এখানে ইজ্জত রক্ষা করে চাকুরী করছি বলে আমার প্রতি অবিচার করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

রাজশাহী নগরীর,

বেলপুকুর ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র অকল্যাণের সুতিকাগার!

আপডেট সময় : ০৫:০১:৩১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ ডিসেম্বর ২০২৫

 

বিশেষ প্রতিনিধিঃ

বর্তমানে সমাজে মব ভায়োলেন্স তৈরি হচ্ছে তাতে করে সংঘবদ্ধভাবে কাজ করা অপরাধীরা ভালই আছেন। আর যে বা যারা এই মবের শিকারে পরিনত হয়েছে তারা কথা বলার প্ল্যাটফর্ম খুঁজে না পেয়ে সাংবাদিকদের কাছে তুলে ধরছেন। কিন্তু আমরা আমাদের সীমাবদ্ধতার কারণে অনেকের বক্তব্য তুলে ধরতে পারছি না।
হয়ত আগামীতে আরো ব্যপক পরিসরে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করা সম্ভব হবে। ক্রাইম নিউজ প্রতিক্ষণ এর নির্বাহী সম্পাদক বরাবর একটি আবেদন আসে। একজন চাকুরীজীবী নারী ভিলেজ পলিটিক্সের শিকার এবং তার পাশে দাঁড়ানোর মত কেউ নেই। সে মনে করছে তার প্রতি অবিচার করা হয়েছে।আমরা সর্বদা অসহায় মজলুম মানুষের কথা তুলে ধরার চেষ্টা করি। দীর্ঘ প্রায় ১০/১২ দিন অনুসন্ধান পূর্বক প্রকৃত সত্য ঘটনা প্রকাশ করে সরকারের একাধিক আইন প্রয়োগকারী সংস্থা দেশের সাধারণ মানুষের কাছে তুলে ধরা হল।

মব ভায়োলেন্স এর শিকার বেলপুকুর ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র,পুঠিয়া, রাজশাহী’র উপসহকারী কমিউনিটি মেডিক্যাল অফিসার মোছা: শাহনাজ আখতার। তিনি জানান, তার সহকর্মী ফার্মাসিস্ট মোছা: শান্তা খাতুন,পিতা মোঃ নুর হোসেন মোল্লা, গ্রাম কাপাসিয়া,থানা মতিহার জেলা রাজশাহী তার স্বামীর ব্যবসায়িক কাজের জন্য বিগত ১৫/০৭/২০২৪ ইং তারিখে ৬,০০,০০০/-(ছয় লক্ষ) টাকা তিনশত টাকা মূল্যের নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে কর্জনামা লিখিত ভাবে সম্পাদন পূর্বক ধার হিসেবে উল্লেখ করে উক্ত টাকা স্বাক্ষীগণের উপস্থিতিতে গ্রহণ করেন এবং এই মর্মে ঘোষণা প্রদান করেন যে, ৩১/১০/২০২৪ ইং তারিখের মধ্যে উক্ত টাকা পরিশোধ করে দিবেন।

ভুক্তভোগী মোছা: শাহানাজ আখতার এর কোন স্বামী বা আত্মীয় পরিজন নেই, সে উক্ত উল্লেখিত অফিসের দ্বিতীয় তলার একটি রুমে বসবাস করেন, তার হোম ভিলেজ পাবনা। অপর দিকে ঋণ গ্রহণকারী শান্তা খাতুন উক্ত এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা। সংগত কারনেই তার শান্তা খাতুনের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ ও বিশ্বস্ততার সুসম্পর্ক গড়ে উঠে। এক পর্যায়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের এক কর্মকর্তা শাহনাজ আখতারকে উক্ত ঋণ শান্তাকে প্রদানের জন্য প্রভাবিত করেন। কোন এভিডেন্স না থাকায় উক্ত কর্মকর্তার নাম প্রকাশ করা সম্ভব হচ্ছে না এবং ঋণ হিসেবে ৬,০০,০০০/- টাকা গ্রহণ করার পর তা পরিশোধ না করার জন্য নানা অজুহাত দেখিয়ে আজ,কাল,পরশু বলে কালক্ষেপণ করতে থাকাবস্থায় গত ০৮/১১/২৫ ইং বেলা প্রায় ৩.৩০ ঘটিকায় কতিপয় দুর্বৃত্তদের হামলার শিকার হন মোছা: শাহনাজ আখতার,পিতা শফিউল্লাহ, মাতা মোছা: আনিসা বিবি, স্থায়ী ঠিকানা: গ্রাম দিয়াড় বাঘাইল, ডাক – দিয়াড় সাহাপুর -৬৬২০,থানা – ঈশ্বরদী,জেলা পাবনা, বর্তমান ঠিকানা – বেলপুকুর ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র, এদিন তাঁকে দুইজন মহিলা ও একজন পুরুষ বাঁশের লাঠি দ্বারা তাকে বেদম প্রহার করে ও তার জামা কাপড় ছিঁড়ে শ্লীলতাহানি করে। অতঃপর কিছু মানুষের সহায়তায় তাকে মারপিটের বিষয়টি প্রথমে ইউএনও, পুঠিয়া এবং ওসি বেলপুকুর, মহানগর রাজশাহীকে জানান ও ৫০ শয্যা বিশিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কেন্দ্র, পুঠিয়া,রাজশাহীতে ভর্তি হন। সেখানে ০৯/১১/২৫ ইং হতে ১৮/১১/২৫ ইং পর্যন্ত চিকিৎসাধীন ছিলেন ।মোবাইলের মাধ্যমে বিষয়টি তার ঊর্ধ্বতন অফিসারদেরও অবগত করেন। ফলে তার অফিসার তাকে দেখতে উক্ত স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান।

তথাপিও তার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা গত ২০/১১/২৫ ইং তারিখে শোকজ নোটিশে স্বাক্ষর করে ২২ তারিখে উক্ত নোটিশ শাহনাজকে প্রদান করেন। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয় ” বিনা অনুমতিতে ০৯/১১ থেকে ১৮/১১/২৫ ইং পর্যন্ত কর্মস্থলে অনুপস্থিত এবং সেবা গ্রহনকারীদের সাথে দুর্ব্যবহারের” ।তিন কার্যদিবসের মধ্যে উক্ত নোটিশের/ কৈফিয়ত তলবের জবাব দিতে বলা হয়।যে অফিসার তাকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দেখতে যান সেই অফিসারই কৈফিয়ত তলবের নোটিশ প্রদান করেন।তাই পরিষ্কার বোঝা যায়। কারো দ্বারা প্রভাবিত বা প্ররোচিত বা অজ্ঞাত কারণে কৈফিয়ত তলবের নোটিশ প্রদান করা হয়েছে বলে দাবী করেন শাহনাজ আখতার।

তিনি আরো জানান, গত ২৪/১১/২৫ ইং তারিখে উক্ত ফৈফিয়ত তলবের নোটিশ এর জবাব প্রদান করেন। কিন্ত আশ্চর্য্যের বিষয় গত ২৭/১১/২০২৫ ইং তারিখে তাকে চার্জ বুঝিয়ে দিয়ে রাজশাহীর বাগমারা বদলি করা হয়। তার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে একাধিক বার সেল ফোনে ফোন করা হলেও ফোন রিসিভ করেননি।ফলে তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

এ প্রসঙ্গে পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র,বিভাগীয় প্রধানের সাথে সেল ফোনে কথা বলা হলে, তিনি জানান শাহনাজ আখতার এর বিরুদ্ধে বেলপুকুর থানার অধিবাসীদের পক্ষে একটি অভিযোগ দেয়া হয়েছে। তিনি জানান ইতিপূর্বে পাবনায় চাকুরীরত অবস্থায় শাহনাজ আখতার অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটিয়েছে। এই বিষয়ে শাহনাজ আখতার বলেন পাবনায় তার ঊর্ধ্বতন অফিসার তার ইজ্জত নষ্ট করার মানসে গায়ে হাত দিলে তিনি অফিসারকে তাৎক্ষণিক ভাবে তীব্র প্রতিবাদ জানান এবং ভবিষ্যতে এধরনের কার্যকলাপ হতে বিরত থাকতে বলাই তার অপরাধ।

চাকুরী ক্ষেত্রে পুরুষ সহকর্মী কর্তৃক নারী সহকর্মীর যৌণ হয়রানি কম বেশি সব অফিসেই হয়ে থাকে যা নারীগণ মান সম্মান বা চাকুরী হারানোর ভয়ে মুখ খোলেন না। পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র গুলিতে এই যৌণ হয়রানি সব থেকে বেশী। তাকেও একাধিকবার নষ্ট করার চেষ্টা করা হলেও তিনি তা প্রতিহত করেছেন । নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তার কাছে তাকে পিয়ন মারফত নিয়ে গেলে উক্ত অফিসার তার সামনে প্রকাশ্যে বলেন ” কি নিয়ে এসেছ।ভাল ভাল মুরগি নিয়ে আসবা”। মুরগি বলতে এখানে সুন্দরী যুবতীদের বোঝানো হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

১৯৭৯ সালের সরকারী চাকুরী বিধি মোতাবেক সহকর্মী বা অফিসের কারো সাথে আর্থিক লেনদেন এর সুযোগ নেই। আর যদি আর্থিক লেনদেন ঘটে সেক্ষেত্রে ঋণ গ্রহণকারী ও ঋণ প্রদানকারী উভয়েই সমান অপরাধী। শাহনাজ আখতার কে বদলি করা হলেও শান্তা খাতুনকে কেন বদলি করা হয়নি? এরূপ প্রশ্ন তুলে শাহনাজ বলেন যে, শান্তা খাতুন সুন্দরী তাই তাকে কোন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ না করে আমার বিরুদ্ধে এমন সময় বদলির নির্দেশ দিয়েছেন যখন আমি অসুস্থ্য। আসলে এখানে ইজ্জত রক্ষা করে চাকুরী করছি বলে আমার প্রতি অবিচার করা হয়েছে।