ঢাকা ০৪:১৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ওসির বিরুদ্ধে অভিযোগের পাহাড়, অবশেষে বদলির আদেশ। রাজশাহীর মোহনপুরের মিষ্টি পান এখন উপজেলা প্রশাসনের সাইনবোর্ডে! উৎসবমুখর পরিবেশে ‘দৈনিক অগ্রযাত্রা প্রতিদিন’-এর প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত। নেতৃত্বের অনন্য উচ্চতায় ৯ নং পারিলা ইউপি চেয়ারম্যান জনাব সাঈদ আলী মোর্শেদ। ইরান মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ২৬ সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে। ধূরইল ইয়াংস্টার ক্লাব বনাম সাদনান একাদশ ফুটবল ম্যাচের শুভ উদ্বোধন ​। গাজীপুরে শ্রমিকদের বিক্ষোভ, পুলিশ বক্সে অগ্নিসংযোগ! পোশাক শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষের পর ২৬ কারখানায় ছুটি ঘোষণা! ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের ফের বড় ধরণের ড্রোন হামলা:ধ্বংসের দাবি সৌদির! এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাশের হার ৫২.১২ শতাংশ

কুমিল্লা জেলা পরিষদের,

রাজস্ব থেকে ২৫ কোটি টাকা নিয়েছেন সাবেক উপদেষ্টা এনসিপি’র আসিফ ও সাংসদ হাসনাত!

কুমিল্লা ব্যুরো:
  • আপডেট সময় : ০৩:০৩:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ মে ২০২৬ ১৮৮ বার পড়া হয়েছে

কুমিল্লা ব্যুরো:

শনিবার (৩০ মে) কুমিল্লা শিল্পকলা একাডেমিতে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদতবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠানে কুমিল্লা জেলা পরিষদের প্রশাসক মোস্তাক মিয়া বলেছেন, কুমিল্লা জেলা পরিষদ থেকে সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজিব ভূঁইয়া এবং সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ ২৫ কোটি টাকা নিয়েছেন। জেলা পরিষদের রাজস্ব থেকে এনসিপি মুখপাত্র এবং সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া ১৫ কোটি টাকা এবং এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা-৪ আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ ১০ কোটি টাকা নিয়ে গেছেন। তারা বৈষম্যবিরোধী রাজনীতির কথা বললেও বাস্তবে তাদের মধ্যে এটা ছিল না।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মোস্তাক মিয়া বলেন, আমার জেলা পরিষদের নিজস্ব রাজস্ব থেকে মুরাদনগরের আসিফ মাহমুদ ১৫ কোটি টাকা নিয়ে গেছেন। আরেকজন হাসনাত আবদুল্লাহ। তিনি নিয়ে গেছেন ১০ কোটি টাকা। এটা হলো সমন্বয়ের অবস্থা। তারা চেয়েছিলেন বাংলাদেশে বৈষম্যবিরোধী একটা সমন্বয়ের রাজনীতি, কিন্তু তাদের মধ্যে সেটা ছিল না।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার এসেছে। জনগণের ভোটে নির্বাচিত আমাদের প্রিয় নেতা তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এ সরকারের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। ধ্বংস হওয়া অর্থনীতিকে পুনরুদ্ধারের জন্য তিনি কাজ করছেন।

তবে এ বিষয়ে আসিফের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, এ বরাদ্দ স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে দেওয়া বিশেষ বরাদ্দ, যেটা জেলা পরিষদের মাধ্যমে ব্যয় হয়েছে। দেবিদ্বারে ৫ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে। যেটা এডিপি প্রকল্পের মাধ্যমে দেওয়া হয়েছে। জেলা পরিষদের রাজস্বের সঙ্গে কোনো সম্পৃক্ততা নাই।

তিনি আরও বলেন, প্রশাসক রাজস্ব খাত আর বিশেষ বরাদ্দ সম্পর্ক জ্ঞান থাকলে এ কথা বলতেন না। আর উনি এমনভাবে বলেছেন- মনে হচ্ছে টাকা আমরা নিজেরা পকেটে নিয়ে গেছি। অথচ এ অর্থ দেবিদ্বারের বিভিন্ন কাজে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

কুমিল্লা জেলা পরিষদের,

রাজস্ব থেকে ২৫ কোটি টাকা নিয়েছেন সাবেক উপদেষ্টা এনসিপি’র আসিফ ও সাংসদ হাসনাত!

আপডেট সময় : ০৩:০৩:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ মে ২০২৬

কুমিল্লা ব্যুরো:

শনিবার (৩০ মে) কুমিল্লা শিল্পকলা একাডেমিতে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদতবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠানে কুমিল্লা জেলা পরিষদের প্রশাসক মোস্তাক মিয়া বলেছেন, কুমিল্লা জেলা পরিষদ থেকে সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজিব ভূঁইয়া এবং সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ ২৫ কোটি টাকা নিয়েছেন। জেলা পরিষদের রাজস্ব থেকে এনসিপি মুখপাত্র এবং সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া ১৫ কোটি টাকা এবং এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা-৪ আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ ১০ কোটি টাকা নিয়ে গেছেন। তারা বৈষম্যবিরোধী রাজনীতির কথা বললেও বাস্তবে তাদের মধ্যে এটা ছিল না।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মোস্তাক মিয়া বলেন, আমার জেলা পরিষদের নিজস্ব রাজস্ব থেকে মুরাদনগরের আসিফ মাহমুদ ১৫ কোটি টাকা নিয়ে গেছেন। আরেকজন হাসনাত আবদুল্লাহ। তিনি নিয়ে গেছেন ১০ কোটি টাকা। এটা হলো সমন্বয়ের অবস্থা। তারা চেয়েছিলেন বাংলাদেশে বৈষম্যবিরোধী একটা সমন্বয়ের রাজনীতি, কিন্তু তাদের মধ্যে সেটা ছিল না।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার এসেছে। জনগণের ভোটে নির্বাচিত আমাদের প্রিয় নেতা তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এ সরকারের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। ধ্বংস হওয়া অর্থনীতিকে পুনরুদ্ধারের জন্য তিনি কাজ করছেন।

তবে এ বিষয়ে আসিফের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, এ বরাদ্দ স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে দেওয়া বিশেষ বরাদ্দ, যেটা জেলা পরিষদের মাধ্যমে ব্যয় হয়েছে। দেবিদ্বারে ৫ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে। যেটা এডিপি প্রকল্পের মাধ্যমে দেওয়া হয়েছে। জেলা পরিষদের রাজস্বের সঙ্গে কোনো সম্পৃক্ততা নাই।

তিনি আরও বলেন, প্রশাসক রাজস্ব খাত আর বিশেষ বরাদ্দ সম্পর্ক জ্ঞান থাকলে এ কথা বলতেন না। আর উনি এমনভাবে বলেছেন- মনে হচ্ছে টাকা আমরা নিজেরা পকেটে নিয়ে গেছি। অথচ এ অর্থ দেবিদ্বারের বিভিন্ন কাজে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।