ঢাকা ০৩:৩৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ওসির বিরুদ্ধে অভিযোগের পাহাড়, অবশেষে বদলির আদেশ। রাজশাহীর মোহনপুরের মিষ্টি পান এখন উপজেলা প্রশাসনের সাইনবোর্ডে! উৎসবমুখর পরিবেশে ‘দৈনিক অগ্রযাত্রা প্রতিদিন’-এর প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত। নেতৃত্বের অনন্য উচ্চতায় ৯ নং পারিলা ইউপি চেয়ারম্যান জনাব সাঈদ আলী মোর্শেদ। ইরান মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ২৬ সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে। ধূরইল ইয়াংস্টার ক্লাব বনাম সাদনান একাদশ ফুটবল ম্যাচের শুভ উদ্বোধন ​। গাজীপুরে শ্রমিকদের বিক্ষোভ, পুলিশ বক্সে অগ্নিসংযোগ! পোশাক শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষের পর ২৬ কারখানায় ছুটি ঘোষণা! ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের ফের বড় ধরণের ড্রোন হামলা:ধ্বংসের দাবি সৌদির! এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাশের হার ৫২.১২ শতাংশ

রাজশাহীর মোহনপুরে ভূমিদস্যুদের কবলে এক প্রধান শিক্ষিকা, পাচ্ছেন না ন্যায় বিচার।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:১৭:৪৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৪ জুলাই ২০২৫ ১৭৭ বার পড়া হয়েছে

রাজশাহী ব্যুরো;

গত ০৫ ই আগস্ট সরকার পতনের পর আওয়ামী লীগ দেশের সব সেক্টর থেকে পলাতক হওয়ার পর এক শ্রেণীর ভূমি দস্যুর আবির্ভাব ঘটে একটি দলীয় ব্যানারে তারা সারা দেশে ভূমি দখল থেকে শুরু করে এহেন কোন কুকর্ম নেই যা তারা করছে না।আওয়ামী লীগের আমলে ১৬/১৭ বছরে যা বেআইনি কাজ হয়েছে তার শত গুণবেশি মব জাস্টিস ঘটছে।

রাজশাহী জেলার মোহনপুর থানার মৌজা হাল ৮৯ কালীগাও খাজুরা মধ্যে সহকারী কমিশনার ভূমি মোহনপুর সেরেস্তায় আর,এস রেকর্ড মূলে.৫০৭ একর জমি মাজেদা খাতুন দিগর নামে প্রচলিত আছে।তাহার নিকট হইতে গত ০২/০৭/১৯৭৩ তারিখে ২২১৯০ নং , ১৩১৫৫/৬৩ নং ও ১৭৫২১/৬৩ নং, ও ১১/০৩/১৯৭৩ তারিখে ২২১৯০ নং দলিল মূলে রাজশাহী সদর সাব রেজিস্ট্রি অফিসে ও গত ইং ২৮/০৪/১৯৭৯ তারিখে ২০৩৫ নং ও ০৩/০৮/১৯৭৯ তারিখে ২৮৪২ নং দলিল মূলে মোহনপুর সাব রেজিস্ট্রি অফিসে পাপ্ত হন একটি স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা মোসা: শাকিলা ফরহাদ বানু,পিতা ইকবাল আহম্মেদ মিয়া, স্বামী মৃত মনিরুল ইসলাম মোল্লা, মাতা জান্নাতুন ফেরদৌস,সাং ১২২, বোসপারা,থানা – বোয়ালিয়া,জেলা রাজশাহী।

ঘটনার সূত্রপাত হয় উক্ত মৌজায় অবস্থিত বাংলা মাপে ১৫ বিঘা পুকুরকে কেন্দ্র করে।উক্ত পুকুর লীজ গ্রহণ করেন
১) মোঃ হারেস আলী ২) মোসা: রাশেদা খাতুন ৩) মতিউর রহমান ৪) মোঃ একরামুল হক গণ, লিজের মেয়াদ ১০ বছর ছিল। এই পুকুর সহ প্রধান শিক্ষিকা ও তাদের ওয়ারিশনের বাংলা মাপে মোট ৫৯ বিঘা জমির উপর লোলুপ দৃষ্টি পড়ে ভূমিদস্যু মোঃ হারেস আলী,পিতা মৃত দারেচ আলী,সাং বজরপুর,থানা মোহনপুর,জেলা রাজশাহীর।কারণ লীজ গ্রহণের পর উল্লেখিত জমির সমস্ত কাগজাদি প্রাপ্ত হয়ে একটি জাল,ভুয়া আর,এস খতিয়ান সৃজিত করে নিজেকে আর,এস রেকর্ড এর প্রজা হিসেবে দেখিয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) কে ম্যানেজ করে উল্লেখিত সমস্ত জমি নিজ নামে খারিজ করে জোর পূর্বক ভোগ দখল করছে।

বিষয়টি সরেজমিনে দেখতে গিয়ে ওসি মোহনপুরকে জানালে ওসি সাহেব বলেন যেহেতু বিবাদী হারেস আলী যেভাবেই হোক নিজ নামে খারিজ করে নিয়েছে।তাই উক্ত খারিজ বাতিল করে আসুন।

এই বিষয়ে উক্ত জমির পাশের গ্রামের জনৈক মোঃ আশরাফ (৬৫) বলেন আমরা যখন হাফ প্যান্ট পড়তাম তখন থেকেই দেখে আসছি প্রধান শিক্ষিকা শাকিলা ম্যাডামের ওয়ারিশগণ উক্ত জমি ভোগ দখল করে আসছে।হঠাৎ করে বিবাদী হারেস একটি দলের গুণ্ডা, মাস্তান শ্রেণীর লোকজনের মাধ্যমে দখল করে জালিয়াতির মাধ্যমে কাগজাদী করে নিয়েছে। ( চলবে)

এই বিষয়ে আরো বিস্তারিত নিউজ আসছে………

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

রাজশাহীর মোহনপুরে ভূমিদস্যুদের কবলে এক প্রধান শিক্ষিকা, পাচ্ছেন না ন্যায় বিচার।

আপডেট সময় : ১১:১৭:৪৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৪ জুলাই ২০২৫

রাজশাহী ব্যুরো;

গত ০৫ ই আগস্ট সরকার পতনের পর আওয়ামী লীগ দেশের সব সেক্টর থেকে পলাতক হওয়ার পর এক শ্রেণীর ভূমি দস্যুর আবির্ভাব ঘটে একটি দলীয় ব্যানারে তারা সারা দেশে ভূমি দখল থেকে শুরু করে এহেন কোন কুকর্ম নেই যা তারা করছে না।আওয়ামী লীগের আমলে ১৬/১৭ বছরে যা বেআইনি কাজ হয়েছে তার শত গুণবেশি মব জাস্টিস ঘটছে।

রাজশাহী জেলার মোহনপুর থানার মৌজা হাল ৮৯ কালীগাও খাজুরা মধ্যে সহকারী কমিশনার ভূমি মোহনপুর সেরেস্তায় আর,এস রেকর্ড মূলে.৫০৭ একর জমি মাজেদা খাতুন দিগর নামে প্রচলিত আছে।তাহার নিকট হইতে গত ০২/০৭/১৯৭৩ তারিখে ২২১৯০ নং , ১৩১৫৫/৬৩ নং ও ১৭৫২১/৬৩ নং, ও ১১/০৩/১৯৭৩ তারিখে ২২১৯০ নং দলিল মূলে রাজশাহী সদর সাব রেজিস্ট্রি অফিসে ও গত ইং ২৮/০৪/১৯৭৯ তারিখে ২০৩৫ নং ও ০৩/০৮/১৯৭৯ তারিখে ২৮৪২ নং দলিল মূলে মোহনপুর সাব রেজিস্ট্রি অফিসে পাপ্ত হন একটি স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা মোসা: শাকিলা ফরহাদ বানু,পিতা ইকবাল আহম্মেদ মিয়া, স্বামী মৃত মনিরুল ইসলাম মোল্লা, মাতা জান্নাতুন ফেরদৌস,সাং ১২২, বোসপারা,থানা – বোয়ালিয়া,জেলা রাজশাহী।

ঘটনার সূত্রপাত হয় উক্ত মৌজায় অবস্থিত বাংলা মাপে ১৫ বিঘা পুকুরকে কেন্দ্র করে।উক্ত পুকুর লীজ গ্রহণ করেন
১) মোঃ হারেস আলী ২) মোসা: রাশেদা খাতুন ৩) মতিউর রহমান ৪) মোঃ একরামুল হক গণ, লিজের মেয়াদ ১০ বছর ছিল। এই পুকুর সহ প্রধান শিক্ষিকা ও তাদের ওয়ারিশনের বাংলা মাপে মোট ৫৯ বিঘা জমির উপর লোলুপ দৃষ্টি পড়ে ভূমিদস্যু মোঃ হারেস আলী,পিতা মৃত দারেচ আলী,সাং বজরপুর,থানা মোহনপুর,জেলা রাজশাহীর।কারণ লীজ গ্রহণের পর উল্লেখিত জমির সমস্ত কাগজাদি প্রাপ্ত হয়ে একটি জাল,ভুয়া আর,এস খতিয়ান সৃজিত করে নিজেকে আর,এস রেকর্ড এর প্রজা হিসেবে দেখিয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) কে ম্যানেজ করে উল্লেখিত সমস্ত জমি নিজ নামে খারিজ করে জোর পূর্বক ভোগ দখল করছে।

বিষয়টি সরেজমিনে দেখতে গিয়ে ওসি মোহনপুরকে জানালে ওসি সাহেব বলেন যেহেতু বিবাদী হারেস আলী যেভাবেই হোক নিজ নামে খারিজ করে নিয়েছে।তাই উক্ত খারিজ বাতিল করে আসুন।

এই বিষয়ে উক্ত জমির পাশের গ্রামের জনৈক মোঃ আশরাফ (৬৫) বলেন আমরা যখন হাফ প্যান্ট পড়তাম তখন থেকেই দেখে আসছি প্রধান শিক্ষিকা শাকিলা ম্যাডামের ওয়ারিশগণ উক্ত জমি ভোগ দখল করে আসছে।হঠাৎ করে বিবাদী হারেস একটি দলের গুণ্ডা, মাস্তান শ্রেণীর লোকজনের মাধ্যমে দখল করে জালিয়াতির মাধ্যমে কাগজাদী করে নিয়েছে। ( চলবে)

এই বিষয়ে আরো বিস্তারিত নিউজ আসছে………