ঢাকা ০৫:০৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ওসির বিরুদ্ধে অভিযোগের পাহাড়, অবশেষে বদলির আদেশ। রাজশাহীর মোহনপুরের মিষ্টি পান এখন উপজেলা প্রশাসনের সাইনবোর্ডে! উৎসবমুখর পরিবেশে ‘দৈনিক অগ্রযাত্রা প্রতিদিন’-এর প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত। নেতৃত্বের অনন্য উচ্চতায় ৯ নং পারিলা ইউপি চেয়ারম্যান জনাব সাঈদ আলী মোর্শেদ। ইরান মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ২৬ সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে। ধূরইল ইয়াংস্টার ক্লাব বনাম সাদনান একাদশ ফুটবল ম্যাচের শুভ উদ্বোধন ​। গাজীপুরে শ্রমিকদের বিক্ষোভ, পুলিশ বক্সে অগ্নিসংযোগ! পোশাক শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষের পর ২৬ কারখানায় ছুটি ঘোষণা! ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের ফের বড় ধরণের ড্রোন হামলা:ধ্বংসের দাবি সৌদির! এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাশের হার ৫২.১২ শতাংশ

এক ইন্টার্নি চিকিৎসকের উদ্যোগে

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে(রামেক ) এল ১৭ কোটি টাকার ওষুধ

নিজস্ব প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০৪:৫৩:৫৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৫ ৩০১ বার পড়া হয়েছে

 

নিজস্ব প্রতিনিধি:

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হৃদরোগ চিকিৎসার জন্য ১৭ কোটি টাকার ওষুধ দিয়েছে একটি বিদেশি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। এই ওষুধ আনার উদ্যোগ ও যোগাযোগ করেন কলেজের ইন্টার্ন ডাক্তার শীর্ষ শ্রেয়ান।

ওষুধগুলো নেদারল্যান্ডস থেকে ২০ আগস্ট ঢাকায় আসে। সোমবার রাজশাহী মেডিকেল কলেজ কর্তৃপক্ষ ওষুধগুলো গ্রহণ করে। এর মধ্যে আছে আল্টেপ্লেস নামের একটি ওষুধ, যা স্ট্রোক ও হার্ট অ্যাটাকের মতো জটিল রোগে ব্যবহার হয়।

৬১তম ব্যাচের ওই ইন্টার্ন ডাক্তার সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, ‘আমি তখন রাজশাহী মেডিকেল কলেজের পঞ্চম বর্ষের ছাত্র। বিশ্ব স্ট্রোক অর্গানাইজেশনের “ফিউচার স্ট্রোক লিডারস কোহর্ট-২” প্রকল্পে গবেষণার সুযোগ পাই। সেখানে আমি আন্ডারগ্র্যাজুয়েট রিসার্চ অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে কাজ করি। পরে আমাদের গবেষণাপত্র প্রকাশিত হয়।’

‘সেই সূত্রে ডিরেক্ট রিলিফের এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের পরিচালক গর্ডন উইলহক আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং রাজশাহী মেডিকেলে আল্টেপ্লেস ওষুধের প্রয়োজনীয়তা জানতে চান। সেখান থেকেই যোগাযোগ শুরু হয়। এরপর আমি আজিজুল হক স্যারকে জানাই।’

চিকিৎসক অধ্যাপক আজিজুল হক বলেন, ‘প্রস্তাব পাওয়ার পর আমি হাসপাতালের পরিচালককে জানাই। পরে দুই পক্ষের মধ্যে যোগাযোগ হয়। কোম্পানিগুলো এক বছরের মেয়াদ থাকা ওষুধ দাতা সংস্থাকে দেয়, যাতে গরিব দেশগুলো তা বিনা মূল্যে ব্যবহার করতে পারে। এসব ওষুধ মূলত স্ট্রোক রোগীদের জন্য। তবে আমরা অনুরোধ করি হৃদরোগ চিকিৎসায় ব্যবহারের অনুমতি দেওয়ার জন্য। পরে তারা অনুমতি দেয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘এই ওষুধে প্রায় ৫০০ রোগীর চিকিৎসা করা যাবে। আমাদের হাসপাতালে যে হারে রোগী আসে, এতে এক বছরের মধ্যেই শেষ হয়ে যাবে।’

হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এফ এম শামীম আহমেদ বলেন, ‘হিসাব অনুযায়ী প্রায় ১৭ কোটি টাকার ওষুধ এসেছে। আগে সহযোগিতা পাওয়া গেছে, তবে এত বড় অঙ্কের ওষুধ এবারই প্রথম।’

 

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

এক ইন্টার্নি চিকিৎসকের উদ্যোগে

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে(রামেক ) এল ১৭ কোটি টাকার ওষুধ

আপডেট সময় : ০৪:৫৩:৫৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৫

 

নিজস্ব প্রতিনিধি:

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হৃদরোগ চিকিৎসার জন্য ১৭ কোটি টাকার ওষুধ দিয়েছে একটি বিদেশি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। এই ওষুধ আনার উদ্যোগ ও যোগাযোগ করেন কলেজের ইন্টার্ন ডাক্তার শীর্ষ শ্রেয়ান।

ওষুধগুলো নেদারল্যান্ডস থেকে ২০ আগস্ট ঢাকায় আসে। সোমবার রাজশাহী মেডিকেল কলেজ কর্তৃপক্ষ ওষুধগুলো গ্রহণ করে। এর মধ্যে আছে আল্টেপ্লেস নামের একটি ওষুধ, যা স্ট্রোক ও হার্ট অ্যাটাকের মতো জটিল রোগে ব্যবহার হয়।

৬১তম ব্যাচের ওই ইন্টার্ন ডাক্তার সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, ‘আমি তখন রাজশাহী মেডিকেল কলেজের পঞ্চম বর্ষের ছাত্র। বিশ্ব স্ট্রোক অর্গানাইজেশনের “ফিউচার স্ট্রোক লিডারস কোহর্ট-২” প্রকল্পে গবেষণার সুযোগ পাই। সেখানে আমি আন্ডারগ্র্যাজুয়েট রিসার্চ অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে কাজ করি। পরে আমাদের গবেষণাপত্র প্রকাশিত হয়।’

‘সেই সূত্রে ডিরেক্ট রিলিফের এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের পরিচালক গর্ডন উইলহক আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং রাজশাহী মেডিকেলে আল্টেপ্লেস ওষুধের প্রয়োজনীয়তা জানতে চান। সেখান থেকেই যোগাযোগ শুরু হয়। এরপর আমি আজিজুল হক স্যারকে জানাই।’

চিকিৎসক অধ্যাপক আজিজুল হক বলেন, ‘প্রস্তাব পাওয়ার পর আমি হাসপাতালের পরিচালককে জানাই। পরে দুই পক্ষের মধ্যে যোগাযোগ হয়। কোম্পানিগুলো এক বছরের মেয়াদ থাকা ওষুধ দাতা সংস্থাকে দেয়, যাতে গরিব দেশগুলো তা বিনা মূল্যে ব্যবহার করতে পারে। এসব ওষুধ মূলত স্ট্রোক রোগীদের জন্য। তবে আমরা অনুরোধ করি হৃদরোগ চিকিৎসায় ব্যবহারের অনুমতি দেওয়ার জন্য। পরে তারা অনুমতি দেয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘এই ওষুধে প্রায় ৫০০ রোগীর চিকিৎসা করা যাবে। আমাদের হাসপাতালে যে হারে রোগী আসে, এতে এক বছরের মধ্যেই শেষ হয়ে যাবে।’

হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এফ এম শামীম আহমেদ বলেন, ‘হিসাব অনুযায়ী প্রায় ১৭ কোটি টাকার ওষুধ এসেছে। আগে সহযোগিতা পাওয়া গেছে, তবে এত বড় অঙ্কের ওষুধ এবারই প্রথম।’