ঢাকা ০৩:৩৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ওসির বিরুদ্ধে অভিযোগের পাহাড়, অবশেষে বদলির আদেশ। রাজশাহীর মোহনপুরের মিষ্টি পান এখন উপজেলা প্রশাসনের সাইনবোর্ডে! উৎসবমুখর পরিবেশে ‘দৈনিক অগ্রযাত্রা প্রতিদিন’-এর প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত। নেতৃত্বের অনন্য উচ্চতায় ৯ নং পারিলা ইউপি চেয়ারম্যান জনাব সাঈদ আলী মোর্শেদ। ইরান মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ২৬ সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে। ধূরইল ইয়াংস্টার ক্লাব বনাম সাদনান একাদশ ফুটবল ম্যাচের শুভ উদ্বোধন ​। গাজীপুরে শ্রমিকদের বিক্ষোভ, পুলিশ বক্সে অগ্নিসংযোগ! পোশাক শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষের পর ২৬ কারখানায় ছুটি ঘোষণা! ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের ফের বড় ধরণের ড্রোন হামলা:ধ্বংসের দাবি সৌদির! এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাশের হার ৫২.১২ শতাংশ

কোটি টাকা আত্মসাৎ এর অভিযোগে, প্রতারক চক্রের দ্বিতীয় সদস্য গ্রেফতার।

ক্রাইম নিউজ প্রতিক্ষণ ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ০১:৩৫:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬ ১৮৪ বার পড়া হয়েছে

 

ক্রাইম নিউজ প্রতিক্ষণ ডেস্ক:

অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) সোশ্যাল প্ল্যাটফর্ম টেলিগ্রামে ‘টাস্ক’ সম্পন্ন করানো সংক্রান্ত প্রতারণার ফাঁদে ফেলে এক কোটিরও বেশি টাকা হাতিয়ে নেওয়া চক্রের আরেক সদস্যকে গ্রেফতার করেছে । গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির নাম, মো. সোহেল মিয়া (৪১)। তার বাড়ি কুমিল্লার মেঘনা থানায়।

সিআইডি মিডিয়া বিভাগ থেকে এসব তথ্য জানানো হয়। তারা বলছে, গত ১০ জানুয়ারি যাত্রাবাড়ির ধলপুর এলাকা থেকে সোহেলকে গ্রেফতার করে সিআইডির সাইবার পুলিশ সেন্টারের (সিপিসি) সাইবার পারসোনেল ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ইউনিটের একটি দল। গ্রেফতারকৃতের বিরুদ্ধে প্রতারণা করে এক কোটি ১০ লাখ ৫৮ হাজার ৩০৫ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে রয়েছে।

বাদী তার এজাহারে উল্লেখ করেন, ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে প্রতারক চক্রের এক সদস্য অজ্ঞাত হোয়াটস অ্যাপ নাম্বার থেকে তাকে অনলাইন পার্ট টাইম জবের প্রস্তাব দেয়। এই প্রলোভনে বাদী রাজি হয়ে যান এবং তাদের নির্দেশনা অনুযায়ী একটি সাইটে ওয়ালেট খুলে টাস্ক সম্পন্ন করতে থাকেন। প্রথম দফায় ১৫০ টাকা উপার্জন করেন বাদী। এভাবে ২৮টি টাস্ক সম্পন্ন করলে চক্রটি ভুক্তভোগীকে ৩৮ হাজার টাকা দেওয়ার প্রস্তাব দেয়। বাদী চক্রের দেখানো মতে ১৪টি টাস্ক সম্পন্ন করে দুই হাজার ১০০ টাকা উপার্জন করেন। এরপর চক্রটি দুই হাজার টাকা বিনিয়োগ করলে ৮০০ টাকা লাভ পাবে এই মর্মে আরেকটি টাস্ক দেয়। সেই টাস্ক সম্পন্নের পর বাদীর ওয়ালেটে অর্থ জমা দেখালেও তিনি তা উত্তোলনে ব্যর্থ হন। বিষয়টি চক্রটিকে জানালে তারা একটি বিকাশ অ্যাকাউন্ট দিয়ে সেখানে টাকা পাঠাতে বলে, না হলে জমাকৃত অর্থ উত্তোলন করতে পারবেন না বলে জানায়।

এভাবে ধাপে ধাপে প্রলোভন দেখিয়ে মোট চারটি পৃথক বিকাশ অ্যাকাউন্ট ও ৯ টি ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে বাদীর কাছ থেকে চক্রটি এক কোটি ১০ লাখ ৫৮ হাজার ৩০৫ টাকা হাতিয়ে নেয়। ভুক্তভোগী অর্থ ফেরত চাইলে তাকে প্রাণনাশের হুমকিসহ নানাবিধ ভয়ভীতি দেখায় চক্রটি। বিষয়টি বুঝতে পেরে গত বছরের ৫ মে লালবাগ থানায় মামলা করে ভুক্তভোগী। বিষয়টি আমলে নিয়ে তদন্ত শুরু করে সিআইডি। প্রতারক চক্রের মূলহোতা নাদিমকে (৩২) গত বছরের ৫ ডিসেম্বর গ্রেফতার করা হয়। পরে তাকে আদালতে হাজির করলে নিজের দোষ স্বীকার করে স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দি দেন নাদিম। পাশাপাশি বাকি অভিযুক্তদের নাম জানায়।

সিআইডি বলছে, সদ্য গ্রেফতার হওয়া সোহেল প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে প্রতারণার অপরাধ স্বীকার করে। গ্রেফতারকৃতকে আদালতে সোপর্দকরণ ও রিমান্ডের আবেদনসহ পরবর্তী আইনানুগ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।

সূত্র : বাংলা ট্রিবিউন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

কোটি টাকা আত্মসাৎ এর অভিযোগে, প্রতারক চক্রের দ্বিতীয় সদস্য গ্রেফতার।

আপডেট সময় : ০১:৩৫:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬

 

ক্রাইম নিউজ প্রতিক্ষণ ডেস্ক:

অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) সোশ্যাল প্ল্যাটফর্ম টেলিগ্রামে ‘টাস্ক’ সম্পন্ন করানো সংক্রান্ত প্রতারণার ফাঁদে ফেলে এক কোটিরও বেশি টাকা হাতিয়ে নেওয়া চক্রের আরেক সদস্যকে গ্রেফতার করেছে । গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির নাম, মো. সোহেল মিয়া (৪১)। তার বাড়ি কুমিল্লার মেঘনা থানায়।

সিআইডি মিডিয়া বিভাগ থেকে এসব তথ্য জানানো হয়। তারা বলছে, গত ১০ জানুয়ারি যাত্রাবাড়ির ধলপুর এলাকা থেকে সোহেলকে গ্রেফতার করে সিআইডির সাইবার পুলিশ সেন্টারের (সিপিসি) সাইবার পারসোনেল ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ইউনিটের একটি দল। গ্রেফতারকৃতের বিরুদ্ধে প্রতারণা করে এক কোটি ১০ লাখ ৫৮ হাজার ৩০৫ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে রয়েছে।

বাদী তার এজাহারে উল্লেখ করেন, ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে প্রতারক চক্রের এক সদস্য অজ্ঞাত হোয়াটস অ্যাপ নাম্বার থেকে তাকে অনলাইন পার্ট টাইম জবের প্রস্তাব দেয়। এই প্রলোভনে বাদী রাজি হয়ে যান এবং তাদের নির্দেশনা অনুযায়ী একটি সাইটে ওয়ালেট খুলে টাস্ক সম্পন্ন করতে থাকেন। প্রথম দফায় ১৫০ টাকা উপার্জন করেন বাদী। এভাবে ২৮টি টাস্ক সম্পন্ন করলে চক্রটি ভুক্তভোগীকে ৩৮ হাজার টাকা দেওয়ার প্রস্তাব দেয়। বাদী চক্রের দেখানো মতে ১৪টি টাস্ক সম্পন্ন করে দুই হাজার ১০০ টাকা উপার্জন করেন। এরপর চক্রটি দুই হাজার টাকা বিনিয়োগ করলে ৮০০ টাকা লাভ পাবে এই মর্মে আরেকটি টাস্ক দেয়। সেই টাস্ক সম্পন্নের পর বাদীর ওয়ালেটে অর্থ জমা দেখালেও তিনি তা উত্তোলনে ব্যর্থ হন। বিষয়টি চক্রটিকে জানালে তারা একটি বিকাশ অ্যাকাউন্ট দিয়ে সেখানে টাকা পাঠাতে বলে, না হলে জমাকৃত অর্থ উত্তোলন করতে পারবেন না বলে জানায়।

এভাবে ধাপে ধাপে প্রলোভন দেখিয়ে মোট চারটি পৃথক বিকাশ অ্যাকাউন্ট ও ৯ টি ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে বাদীর কাছ থেকে চক্রটি এক কোটি ১০ লাখ ৫৮ হাজার ৩০৫ টাকা হাতিয়ে নেয়। ভুক্তভোগী অর্থ ফেরত চাইলে তাকে প্রাণনাশের হুমকিসহ নানাবিধ ভয়ভীতি দেখায় চক্রটি। বিষয়টি বুঝতে পেরে গত বছরের ৫ মে লালবাগ থানায় মামলা করে ভুক্তভোগী। বিষয়টি আমলে নিয়ে তদন্ত শুরু করে সিআইডি। প্রতারক চক্রের মূলহোতা নাদিমকে (৩২) গত বছরের ৫ ডিসেম্বর গ্রেফতার করা হয়। পরে তাকে আদালতে হাজির করলে নিজের দোষ স্বীকার করে স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দি দেন নাদিম। পাশাপাশি বাকি অভিযুক্তদের নাম জানায়।

সিআইডি বলছে, সদ্য গ্রেফতার হওয়া সোহেল প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে প্রতারণার অপরাধ স্বীকার করে। গ্রেফতারকৃতকে আদালতে সোপর্দকরণ ও রিমান্ডের আবেদনসহ পরবর্তী আইনানুগ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।

সূত্র : বাংলা ট্রিবিউন।